দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেআইনি কয়লা পাচারের তদন্তে নেমে রবিবার কলকাতা, সল্টলেক, আসানসোল, পুরুলিয়া ৪৫ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই।
মঙ্গলবার ফের যৌথ তল্লাশিতে নামল সিবিআই ও ইসিএলের ভিজিলেন্স বিভাগ। জামুড়িয়ার কুনুস্তোড়িয়া এরিয়ার জেনারেল ম্যানেজার এর দপ্তরে তন্ন তন্ন করে নথি পত্র খোঁজা হয়েছে বলে খবর।
এদিন দুপুর থেকেই সিবিআইয়ের চারজন অফিসার ও ভিজিলান্স এর দুই অফিসার যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেন বিভিন্ন আধিকারিকদের। অন্যদিকে পাণ্ডবেশ্বরে ইস্টার্ন কোলফিল্ডের এরিয়া অফিসে এদিন সকালে পৌঁছে যায় সিবিআইয়ের আরেকটি দল। সেখানে পৌঁছে তাঁরা জেনারেল ম্যানেজারের দফতরের সমস্ত কর্মীদের বের করে তালা লাগিয়ে দেন।
এই সব তল্লাশি যখন চলছে তখন পাণ্ডবেশ্বর এরিয়ার জেনারেল ম্যানেজার অমিত কুমার ধরকে সেখানে দেখা যায়। প্রসঙ্গত, অমিত ধরের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই। সেই সঙ্গে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে ইস্টার্ন কোলফিল্ডের আরও তিন জন অফিসারের বিরুদ্ধে। ওই তিন জন হলেন কুনুস্তোড়িয়ার এরিয়া সিকিউরিটি ইনস্পেক্টর ধনঞ্জয় রাই, কাজোরা এলাকায় জেনারেল ম্যানেজার জয়েশ চন্দ্র রাই এবং কাজোরা এলাকার সিকিউরিটি ইনচার্জ দেবাশিস মুখোপাধ্যায়।
তবে সিবিআই সূত্রে বলা হচ্ছে, বেআইনি কয়লা পাচারের অন্যতম হোতা হল অনুপ মাঝি ওরফে লালা। ইসিএলের ওই চার অফিসারের সঙ্গে যোগাসাজস করে খুব সংগঠিত ভাবে কয়লা চুরি করা হত। ইসিলের লিজ নেওয়া জায়গা থেকে কয়লা চুরি করে তা রেলের সাইডিংয়ে নিয়ে যাওয়া হত। তার পর রেলের এক শ্রেণির অফিসার, সিআইএসএফের সঙ্গে আঁতাত করে সেই কয়লা পাচার করা হত।
সিবিআইয়ের ওই এফআইআরে আরও বলা হয়েছে, আরও কিছু অফিসার ও ব্যক্তি দেশের সম্পদ চুরির নেপথ্যে রয়েছে। যারা কয়লা চুরিতে মদত দিয়েছে বা যাদের সঙ্গে যোগসাজস করে এই চক্র চলত। এফআইআরে তাদের নাম নেই। এদিনের তল্লাশির পর মনে করা হচ্ছে, এ বার সেই সব অফিসার ও রাঘববোয়ালদের যোগসূত্র খুঁজতে নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি।