
শেষ আপডেট: 16 June 2023 12:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একটি জমি অধিগ্রহণের ঘটনায় এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট! এদিন বিচারপতি বিবেক চৌধুরী মন্তব্য করেন, জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে নিজেদের লোককে বেশি টাকা পাইয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এটি বড় ধরনের দুর্নীতি!
ব্যাপারটা কী?
এই ঘটনার বিতর্কের সূত্রপাত নদিয়ার বীরেন্দ্র নাথ ঘোষের জমি ঘিরে। ২০০৯ সালে জল সরবরাহের কাজের জন্য বীরেন্দ্র ঘোষের ৪৪ শতক জমি অধিগ্রহণের জন্য চিহ্নিত করে জনস্বাস্থ্য করিগরি দফতর। বীরেন্দ্রনাথের অভিযোগ, জমি অধিগ্রহণ করা হলেও প্রথমে টাকা পাননি তিনি।
টাকা না পেয়ে অভিযোগ জানান বীরেন্দ্র। তারপরই নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ওই জমির দাম ঠিক করা হয় ৩৬ লক্ষ ৪৭ হাজার ৬৩১ টাকা। জেলা পরিষদ জানায় ২০২৩ এপ্রিলের বর্তমান মূল্য অনুযায়ী ওই দাম ধার্য করা হয়েছে।
তারপরই বীরেন্দ্র হাইকোর্টে মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ, জমির ন্যায্য মূল্য পাননি। মামলাকারীর আইনজীবী তুলসী দাস জানান, তাঁর মক্কেলের (বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ) জমির এক মাইল দূরে ৩৯ শতক আউশ জমির মূল্য পাঁচ কোটির উপরে ধার্য করেছে সরকার। প্রতি শতকে ১৫ লক্ষ টাকা বেশি ধার্য করা হয়েছে।
বীরেন্দ্রর দাবি, তাঁর জমি বানিজ্যিক জমি। সেক্ষেত্রে জমির দাম প্রতি শতক এক লাখের কম কেন হবে? এরপরই বিচারপতি বিবেক চৌধুরী বলেন, এটি বিভ্রান্তিকর সিদ্ধান্ত। অথবা কোনও দুর্নীতির অঙ্গ। কোনওভাবেই ব্যবসায়িক জমির দাম কম হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, নদিয়া জেলা পরিষদের অসৎ উদ্দেশ্য আছে এখানে। এই ঘটনার তদন্ত সিবিআই নেবে। প্রয়োজনে অভিযুক্ত নদিয়া জেলা পরিষদের কর্মীদের বিরুদ্ধে এফআইআরও করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
বসিরহাটের ৬০ বিজেপি প্রার্থী মনোয়ন জমা দিতে পারবেন শুক্রতেও! নির্দেশ বিচারপতি সিনহার