
শেষ আপডেট: 8 September 2020 06:40
সোমবার ৭ ই সেপ্টেম্বর লকডাউনের বিকেলে আসানসোল পৌরনিগমের ২৫ নং ওয়ার্ডের গুলজার মহল্লায় ৩০০ জন এলাকাবাসীর মধ্যে ত্রিপল বিতরণ করেন রাজ্যের শ্রম ও আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক। লকডাউনে নিয়মভঙ্গ করার অপরাধে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে প্রায় ১৮৮ জনকে আটক করা হয়েছে। সেই আসানসোল শহরেই লকডাউনের মধ্যে সভা করে লোক জমায়েত করে ত্রিপল বিতরণ করে এবার বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন মন্ত্রী মলয় ঘটক নিজেই।
২৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাজি নাসিম আনসারি ওরফে নাসো সরাসরি এই ঘটনার প্রতিবাদে মুখ খুলেছেন। সোমবার তিনি সংবাদমাধ্যমে বলেন একদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করোনা ভাইরাস আটকাতে লকডাউনের ঘোষণা করে রাজ্যবাসীকে ঘরে থাকার অনুরোধ করেছেন, আর অন্যদিকে সেই রাজ্যের শ্রম ও আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক নিজেই আইন ভেঙে জনসমাবেশ করছেন লকডাউনের দিন। এভাবে প্রশাসনের লোকজনই যদি আইনকে বুড়ো আঙুল দেখায়, তারপর সাধারণ জনগণ আর সরকারি নির্দেশ মানবে কেন?
এদিন সংবাদমাধ্যমে হাজি নাসো বলেন, তাকে না জানিয়ে এই কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান করা হয়েছে। তিনি জানলে লকডাউনের দিন কোনওভাবেই অনুষ্ঠান করে জনসমাবেশ হতে দিতেন না। কাউন্সিলর আরো বলেন ওই অনুষ্ঠানে ৫০০ থেকে হাজার লোক জমায়েত হয়।
অন্যদিকে বিজেপির ওবিসি সেলের ন্যাশনাল কমিটির সদস্য শঙ্কর চৌধুরী জানান পশ্চিমবাংলার সরকার একদিকে লকডাউনের ঘোষণা করেছেন এবং অন্যদিকে রাজ্যের মন্ত্রীরা নিজেরাই আইন ভাঙ্গছেন। এর থেকে দুর্ভাগজনক পরিস্থিতি আর কী হতে পারে!
শ্রম ও আইনমন্ত্রীর এই জনসমাবেশ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে। পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।