
শেষ আপডেট: 20 October 2020 18:30
কিন্তু নাটক এখানেই শেষ নয়। দেখা যায়, গোর্খা ভবনের গেটের বাইরে গাড়িতে বসে রয়েছেন গুরুং। কিন্তু গোর্খা ভবনের গেট খুলছে না। এক পুলিশ কর্মী গোর্খা ভবনের গেট ধরে ঝাঁকালেও গেট খোলেনি। গুরুংকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি এখানে কেন? তাঁকে তো পুলিশ খুঁজছে। জবাবে গোর্খা নেতা বলেন, “যা বলার ভিতরে গিয়েই বলব”।
যদিও ভিতরে গিয়ে বলা হয়নি গুরুংয়ের। কারণ গেট খোলেনি। ফলে দেখা যায়, গুরুং গাড়ি ঘুরিয়ে অন্য কোনও গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, তখন গুরুংয়ের গাড়ি বাইপাস ধরে ছুটছে। কোথায় তিনি যাচ্ছেন তা স্পষ্ট নয়।
বাংলায় তৃণমূল সরকারের সঙ্গে গুরুংয়ের সংঘাতের কথা অজানা নয়। সেই সংঘাতের তীব্রতা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে গুরুং দার্জিলিং ছাড়তে বাধ্য হন। লুকিয়ে থেকে গোপন আস্তানা থেকে স্রেফ অডিও মেসেজ পাঠাতেন এই গোর্খা নেতা। একদিকে যখন গুরুং গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন, তখন অন্যদিকে তখন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায় তাঁর স্থানে বিনয় তামাংকে উঠে আসতে সুবিধা করে দিয়েছিল বাংলায় শাসক দল।
[caption id="attachment_270105" align="aligncenter" width="1280"]
ললিত গ্রেট ইস্টার্নে ঢুকলেন গুরুং[/caption]
সেই পরিস্থিতিতে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গুরুংয়ের পাশে ছিল বলেই জানা গিয়েছিল। কিন্তু গত কিছুদিন যাবৎ জল্পনা চলছে যে গুরুংয়ের সঙ্গে বাংলায় শাসক দলের কিছু একটা বোঝাপড়ার চেষ্টা চলছে। সেই কথা অবশ্য অডিও মেসেজে খারিজও করেছিলেন গুরুং। তার পরই আজ বুধবার গুরুংয়ের আবির্ভাব ঘটেছে।
কৌতূহলের বিষয় হল, সত্যিই কি শাসক দলের সঙ্গে কোনও সমঝোতা হয়েছে গুরুংয়ের? না হলে যে গুরুং এতোদিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি সশরীরে সল্টলেকে কেন? কেনই বা পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করতে সক্রিয় নয়?
বিস্তারিত আসছে। এ ব্যাপারে রহস্যের জট কীভাবে খোলে সে বিষয়ে এই প্রতিবেদনে আপডেট করা হবে।