
শেষ আপডেট: 9 February 2023 13:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ( ICDS Attack ) থেকে খাদ্য সামগ্রী লুঠ করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এমনকী সেখানে ভাঙচুর চালানোরও অভিযোগ উঠছে। বাসন্তীর ( Basanti ) মানুষ এই ঘটনাকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের বলেই দাবি করছেন।
বুধবার কাঠালবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে উত্তর ভাঙনখালির আহম্মদ আলি মোল্লাপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সূত্রপাত এদিন রাতে। পঞ্চাশজনের একটি দল এলাকায় এসে তাণ্ডব চালায়। বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন করে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ভাঙচুর চালায়। খাবারের জিনিসপত্র লুঠ করে নিয়ে যায়।
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই দলের সদস্যদের কাছে লাঠি, লোহার রড, ধারালো অস্ত্র ছিল। গ্রামবাসীরা আটকাতে গেলে তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
তৃণমূলের নেতা মোজাম্মেল হক সরদারের অনুগামীরাই এই হামলা চালিয়েছে বলে গ্রামবাসীদের একাংশ দাবি করেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই অঙ্গনওয়াড়ির ক্ষমতা নিজের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে মোজাম্মেল। স্থানীয় আরও এক তৃণমূল নেতা মোবলেছের বাড়ির পাশে রয়েছে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। তাই সেটির দেখভালের সমস্ত দায়িত্ব তাঁর উপর রয়েছে। তাই বিষয়টি নিয়ে মোবলেছ ও মোজাম্মেলের মধ্যে বিবাদ রয়েছে অনেকদিন ধারেই। বুধবার তা চরমে ওঠে।
ঝালদা রইল কংগ্রেসের হাতেই, শুধু পূর্ণিমাকে সরিয়ে দিয়ে শীলাকে ফেরাল হাইকোর্ট
যদিও বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি তৃণমূলে স্থানীয় নেতৃত্ব। স্থানীয় তৃণমূল নেতা মন্টু গাজি বলেন, 'স্কুলে ভাঙচুর চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা।' পরে বিধায়ক শ্যামল মণ্ডলের কাছে এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া চাওয়া হলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
ঘটনার বিষয়ে বাসন্তী থানায় ১০ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ক্যানিং মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দিবাকর দাস ও বাসন্তী থানার আইসি দুর্গাপ্রসাদ মজুমদার। তাঁরা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করেনি পুলিশ। এরপর থেকে থমথমে গোটা এলাকা। পুলিশের টহল চলছে।