
শেষ আপডেট: 13 December 2019 12:37
তবে এর রেশ মনে ধরে রেখেছিল রূপসা। রাতে সে বাথরুমে গিয়ে গলায় ওড়না জড়িয়ে আত্মহত্যা করে। বাথরুমটি টালির চালের, সেখানের বাঁশে সে ফাঁস বেঁধেছিল।
মেয়েকে গলায় ওড়নার ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখে তাকে নামিয়ে নিয়ে রাতেই অশোকনগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান তার বাবা দীপক। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা রূপসাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
অনিমা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। তিনি জানান, অভাবের সংসারে ধারদেনা করেই নাতনিকে লেখাপড়া করানো হচ্ছিল। তিনি নিজেও টাকা ধার করেছেন নাতনির পড়াশোনার জন্য। ঘটনার সময় রূপসার মা বাড়িতে ছিলেন না, খবর পেয়ে বেশ কিছুক্ষণ পরে তিনি আসেন।
ইদানীং কালে স্মার্টফোন একরকম নেশার জায়গায় চলে গেছে। খেলাধুলো ভুলে শিশু থেকে তরুণতরুণী সকলেই এখন মোবাইল ফোনের নেশায় ব্যস্ত। লেখাপড়ার সময়েও অনেকে মগ্ন হয়ে থাকছে মোবাইল ফোনে। তাতে তাদের যে লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে তা নয়, শারীরিক সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। চোখ ও ঘাড়ের সমস্যা হচ্ছে অনেকের। মোবাইল ফোনে নানারকম খেলা থেকে তরুণতরুণীদের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। তারপরেও মোবাইল ফোনের নেশা থেকে তাদের অনেক সময়ই বিরত করা যাচ্ছে না।
বয়স্করাও অনেকে মোবাইল ফোনের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকছেন। তাঁদের থেকেই সেই নেশা সঞ্চারিত হচ্ছে বাড়ির ছোটদের মধ্যে। মোবাইল ফোনের নেশা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে তা না পেয়ে আত্মহত্যা পর্যন্ত করল বছর ষোলোর স্কুলছাত্রী রূপসা।