
শেষ আপডেট: 30 August 2023 11:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এবার পোশাক বিতৰ্ক খাস কলকাতার কলেজে। অভিযোগ, ছেঁড়া জিন্স পরে কলেজে আসা যাবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আর ভর্তির সময় সেই মর্মেই মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়া হচ্ছে পড়ুয়াদের কাছ থেকে! সই করতে হচ্ছে অভিভাবকদেরও (AJC bose college dress code)।
জানা গেছে, এই নির্দেশিকা জারি করেছেন আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু কলেজের অধ্যক্ষ ড: পূর্ণচন্দ্র মাইতি।। আর শুধু পড়ুয়াদের জন্য নয়, এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অশিক্ষক কর্মীদের জন্যেও। উল্লেখ্যে, গত বছরেও এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছিলেন তিনি। তখনও সাবালক পড়ুয়াদের পোশাক পরার অধিকারে কলেজের হস্তক্ষেপ নিয়ে তুঙ্গে উঠেছিল বিতর্ক। কিন্তু সমালোচনার মুখেও নির্দেশ প্রত্যাহার করেননি অধ্যক্ষও। সূত্রের খবর, বেশিরভাগ পড়ুয়াই সেই নির্দেশ মানলেও অনেকেই এখনও 'নিষিদ্ধ' পোশাক পরে কলেজে আসছিলেন।
তাই 'অশালীন' পোশাক পরে কলেজ আসা বন্ধ করতে এবার নাকি ভর্তির সময়েই পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের মুচলেকা লিখিয়ে সই করিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তাতে ডিক্লারেশন দিতে হচ্ছে, 'ছেঁড়া জিন্স বা অশালীন পোশাক পরব না'। যদিও মিন্টো পার্কের এই কলেজের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফের বিতর্ক শুরু হয়েছে। পড়ুয়ারা প্রায় প্রত্যেকেই প্রাপ্তবয়স্ক, পছন্দ মতো পোশাক পরা তাঁদের অধিকার, তাতে কলেজ হস্তক্ষেপ করতে পারে না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কিন্তু এ ব্যাপারে কারও কোনও ওজর-আপত্তিতে কান দিতে নারাজ অধ্যক্ষ। গত বছর নোটিস বিতর্কে তিনি জানিয়েছিলেন, কলেজ ফ্যাশন শোয়ের জায়গা নয়।
এই প্রথম নয়। কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স সহ একাধিক কলেজ আগেও পোশাক নিয়ে ফতোয়া জারি করে বিতর্কে জড়িয়েছে। কোনও কলেজে গোল-গলা টি-শার্ট পরা বারণ, তো কোথাও আবার হাঁটুর উপর পোশাক পরা নিষিদ্ধ। সেই বিতর্কেই এবার নাম জড়াল আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু কলেজেরও।
টেট পাশের মামলায় ববিতার প্রসঙ্গ টেনে বোর্ড বলল, 'মিউজিক্যাল চেয়ারের কথা'!