
শেষ আপডেট: 19 June 2022 17:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রের অগ্নিপথ (Agnipath) সেনা-নিয়োগ প্রকল্পের বিরোধিতায় অশান্তি চলছে সারা দেশ জুড়ে। জায়গায় জায়গায় চলছে অবরোধ, বিক্ষোভ। আগামীকাল, সোমবার অগ্নিপথের বিরোধিতায় ভারত বনধের (Strike) ডাকও দিয়েছে একাধিক সংগঠন। তবে এ রাজ্যে বনধের কারণে কোনও রকম অসুবিধা বরদাস্ত করা হবে না বলেই নির্দেশ দেওয়া হল নবান্নর তরফে।
আজ, রবিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে নবান্নর স্বরাষ্ট্র দফতর থেকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসন, থানা ও পুলিশকে। বনধের কারণে যাতে বেহাল অবস্থা বা কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, তা দেখতে হবে ও বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে প্রতিটি ডিভিশনের কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার ও আইসিকে।
স্বরাষ্ট্র দফতরের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, 'রাজ্য কোনও বনধকেই সমর্থন করে না নীতিগত কারণে়।' তাই বনধ যাতে জনজীবনে প্রভাব ফেলতে না পারে, তা দেখতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে থানাগুলিকে। রাজ্য ও কেন্দ্রের প্রতিটি সরকারি দফতরে যেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকে, তা নিশ্চিক করতে হবে। পরিবহণের কোনও সমস্যা যাতে না হয় পথেঘাটে, সেদিকেও বিশেষ করে লক্ষ্য রাখতে হবে।
অগ্নিপথ-বিক্ষোভের জেরে ইতিমধ্যেই অগ্নিগর্ভ বিহার-সহ একাধিক রাজ্য। গত ১৪ জুন এই নতুন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। তার পরেই অভিযোগ ওঠে, সেনাবাহিনীতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এনেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। শুরু হয় প্রতিবাদ। বিহারে ও মধ্যপ্রদেশে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় প্রতিবাদকারীরা। পোড়ানো হয় ট্রেনও।
এমনকি এই রাজ্যেও উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ভাটপাড়া, বনগাঁ মহকুমার ঠাকুরনগর এবং হাওড়া ব্রিজের ওপরেও দেখা যায় বিক্ষোভ। বিক্ষোভের জেরে বন্ধও হয় একাধিক ট্রেন। এসবের মধ্যে বনধের ঘোষণায় আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিচ্ছে নবান্ন।
দফায় দফায় চিতাবাঘের আক্রমণ আলিপুরদুয়ারে! জখম চারজন, ফাঁদ পেতেছেন বনকর্মীরা