
শেষ আপডেট: 17 December 2023 20:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদহ: ধর্মীয় জলসায় গিয়েছিলেন। বাড়ি ফিরবেন বলেছিলেন। কিন্তু বাড়িতে ফিরল যুবকের দেহ। জলসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তাঁকে খুনের অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মালদহের হরিশ্চপুরে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার এলাকার কনকনিয়া রেল গেটের লাইনে যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের নাম কাজিরুল ইসলাম (২৫)। তাঁর বাড়ি কাতলামারি গ্ৰামে। আরপিএফ জওয়ানরা রেললাইনে কাজিরুলের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে থানায় খবর দেন।
শনিবার সারারাত ভাই বাড়িতে না ফেরায় কাজিরুলের দিদি ও পরিবারের লোকজন থানায় নিখোঁজের অভিযোগ করেছিলেন। জিআরপি থানায় মৃতদেহ উদ্ধারের খবর দিলে, কালিরুলের মৃত্যু হয়েছে বলে জানতে পারেন তাঁর পরিবার।
যদিও এই ঘটনা জানার পরেই কাজিরুলের দিদি ভাইয়ের মৃত্যু জন্য তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনকেই দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, ''ভাইয়ের বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু তাঁর স্ত্রী বাড়িতে থাকতে চাইত না। পরে সে বাপের বাড়িতে থাকতে শুরু করে। ভাই তাঁর স্ত্রীকে বারবার বুঝিয়েছে। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।''
তাঁর আরও অভিযোগ, ''ভাইয়ের দাম্পত্য জীবন সুখের হয়নি। 'মিথ্যা' বধূ নির্যাতনের মামলায় ফাঁসিয়ে জেল খাটিয়েছিল ভাইকে। এখন মেয়ের বাড়ির লোকেরাই তাঁকে জলসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে খুন করেছে। রেল লাইনে ফেলে দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা সাজাতে চাইছে।''
মৃত যুবকের পরিবারের বাকি সদস্যরা জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধেয় ধর্মীয় জলসা গিয়েছিলেন কাজিরুল। সেখানে থেকে বাড়ি ফিরবে বলেছিলেন। অভিযোগ, ওই জলসা থেকেই মেয়ের মামা ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন যুবককে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করেছে।
পবিরারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ওই যুবক খুন হয়েছেন নাকি আত্মহত্যা করেছেন তা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা।