দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার ২৩ বছর পূর্ণ হল তৃণমূলের। হাওড়া সদর তৃণমূলের অফিসে প্রতিষ্ঠান দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু সমবায় মন্ত্রী তথা জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান অরূপ রায় উপস্থিত থাকলেও, হাওড়া থেকে বাকি দুই মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও লক্ষ্মীরতন শুক্লকে সেখানে দেখা গেল না। হাওড়ার সাংসদ প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি।
এমনিতেই হাওড়ায় অরূপ-রাজীবের বিবাদ ও বনিবনার অভাব সুবিদিত। একুশের ভোটের আগে অরূপকে সরিয়ে লক্ষ্ণীরতন শুক্লকে জেলা সভাপতি করার পর দেখা যায়, রাজীব ও লক্ষ্মী একদিকে, অরূপ রায় দূরত্ব রাখছেন। তার পর অরূপের বাড়িতে গিয়ে প্রশান্ত কিশোর কথা বলেন। কিন্তু এরই মধ্যে রাজীব ও লক্ষ্মীকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা শুরু হয়ে যায়।
এদিন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাকে তো ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তাঁর কথায়, সাত বছর আগে তৃণমূলে যখন যোগ দিয়েছিলাম, তখন দলটা খুব সুন্দর ছিল। এত ভাগাভাগি ছিল না। এখন হাওড়াটা কেমন যেন হয়ে গেল। অরূপকে সরিয়ে লক্ষ্মীকে নতুন সভাপতি করা হল, কিন্তু তার কোনও মুভমেন্ট দেখছি না। আগে সভাপতি থাকার সময়ে অরূপ সম্মান করত, নতুন সভাপতিকে দেখাই যাচ্ছে না। সবাই কেমন চুপচাপ হয়ে গেছে। কর্মীরা বিভ্রান্ত, মানুষ বিভ্রান্ত। লক্ষ্মীরতন সভাপতি হওয়ার পর এতদিনেও কেন জেলা কমিটি গঠন করা হল না সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
লক্ষ্মীরতন অবশ্য বলেছেন, সভাপতি হওয়ার পর পরই তিনি চল্লিশ জনের কমিটি গড়ে দেন। পরে অরূপ রায় বলেন, প্রতিষ্ঠা দিবসে সবাই নিজের এলাকার অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত থাকে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রশ্ন নেই। রাজীবকে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল, কিন্তু উনি শারীরিক অসুস্থতার কারণে আসতে পারেননি।