বিমল বসু, বসিরহাট : সিনেমার পর্দার চৌকাঠ পেরিয়ে জনতার মাঝখানে এসে নুসরত জাহানের প্রতিশ্রুতি, “সবাইকে ফোন নম্বর দিয়ে গেলাম। একটা ফোন করবেন। চলে আসবো আমি।”
তিনি রুপোলি পর্দার মানুষ। তাই সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে। পেশার স্বার্থেও একটা অদৃশ্য দেওয়াল তুলে রাখতে হয় অনেকসময়। তফাতে রাখতে হয় নিজেকে। কিন্তু ভোট যে বড় দায়। তার স্বার্থেই আজ দেওয়াল ভেঙে দিয়ে একেবারে জনতার মাঝে নিজের ফোন নম্বর বিলোলেন নুসরত জাহান। বললেন, “আমাকে দেখে আপনাদের মন কী বলে আপনারাই বলুন। আমার ফোন নম্বর পার্টির খাতায় রেজিস্টার্ড রয়েছে। মঞ্চে যাঁরা যাঁরা উপস্থিত রয়েছেন প্রত্যেকের কাছে আমার ফোন নম্বর রয়েছে। একটা ফোন কলে আপনাদের যখন প্রয়োজন হবে, অসুবিধা হবে, আমি আসব, এই আশ্বাস আমি আপনাদের দিতে পারি। বাংলার মাঠেঘাটে আমি ঘুরেছি, অভিনেত্রী হিসেবে সবার মন জয় করেছি। আপনাদের কাছেও আমি আসব।”
আজ সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় প্রচার শুরুর কর্মসূচি ছিল নুসরতের। কর্মিসভার জন্য সরবেড়িয়া হাইস্কুল মাঠে বাঁধা হয়েছিল মঞ্চ। কিন্তু গতকাল সন্ধ্যার আচমকা ঝড়ে হুড়মুড় করে সেই মঞ্চ ভেঙে পড়তেই দলের কর্মীদের মাথায় হাত। রাতে তড়িঘড়ি আবার তৈরি করা হয় সেই মঞ্চ। সেখানেই নুসরতকে দেখতে আজ ঢল নেমেছিল মানুষের। সকাল দশটা নাগাদ কর্মিসভায় এসে পৌঁছোন নুসরত।
জনতার মাঝে নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন, “এতদিন আপনারা আমাকে সিনেমার পর্দায় দেখেছেন, এইবার সেই চৌকাঠ পেরিয়ে আপনাদের মাঝখানে আপনাদের সহকর্মী হিসেবে নতুন পরিচিতি পেয়েছি।”
নেত্রীকে উদ্দেশ করে নুসরতের মন্তব্য, এতদিন ধরে এত পরিশ্রম করে চলেছো, বাংলার মানুষের উন্নয়নের কথা ভাবছো, জীবনে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছো, সেই সংগ্রামের আমি নতুন সৈনিক।” এরপরেই জনতাকে উদ্দেশ করে বললেন, “এ দায়িত্ব আমি একা পালন করতে পারব না। এখানে যাঁরা উপস্থিত রয়েছেন তাঁরা আমায় কথা দিন যে আমার সঙ্গে আপনারা থাকবেন।”
https://www.youtube.com/watch?v=yGI9uY_h8FU&feature=youtu.be
সন্দেশখালি ছাড়াও মিনাখাঁর বামনপুকুর, হাড়োয়া, ও শাসনেও এ দিন কর্মিসভা করেন নুসরত। আগামীকাল নুসরত সভা করবেন হিঙ্গলগঞ্জে।