
শেষ আপডেট: 23 September 2019 13:21
ইতিহাস বলে, আগে পুজোর প্রতিটি নির্ঘণ্টই কামান ফাটিয়ে ঘোষণা করা হোত। এখন সে জাঁক আর নেই। তবু রাজ পরিবারের সদস্যরা তোপধ্বনি করে পুজো শুরুর প্রাচীন ঐতিহ্য বজায় রেখেছেন এখনও। অন্যান্য দুর্গাপুজো কালিকাপুরাণ মতে হলেও বিষ্ণুপুর রাজ পরিবারের দুর্গাপুজো হয় বলিনারায়ণী মতে। সেই পুথি মেনে পুজো শুরু হয় নবম্যাদি কল্পারম্ভে। একসময়ে বলি প্রথা ছিল রাজপরিবারে। কিন্তু পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। শোনা যায়, রাজা হাম্বীর মল্ল বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার পরে বলির প্রথা বন্ধ করে দেন। আর শব্দকে ব্রহ্ম হিসেবে দেখা শুরু হয়। তখন থেকেই চালু হয় তোপধ্বনি দেওয়ার রীতি। সেই ঐতিহ্য অনুযায়ী আজও রাজপরিবারের দুর্গোৎসব শুরু হয় তোপধ্বনি করে।
১৮ দিনের এই দুর্গোৎসবে আজ সোমবার পটপুজো হল বড় ঠাকুরানির। তারপর তাঁকে নিয়ে আসা হল মৃন্ময়ী মন্দিরে। একই রীতি মেনে সাতদিন পর মন্দিরে আসবেন মেজ ঠাকুরানি। ষষ্ঠীর দিন নিয়ে আসা হবে ছোট ঠাকুরানিকে। দশমীতে হবে ঘট বিসর্জন।
