
শেষ আপডেট: 22 August 2018 18:30
আরও পড়ুন: ‘মোমো সুইসাইড চ্যালেঞ্জ’-এর খপ্পরে জলপাইগুড়ির ছাত্রী! মারণ খেলা কি ছড়াচ্ছে বাংলাতেও?
বৃহস্পতিবার মোমো-কাণ্ডে জলপাইগুড়ির এক কলেজ পড়ুয়াকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগ, মোবাইল থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করে মোমো গেমের লোগো লাগিয়ে সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করছিল সে। জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার শীর্ষ আধিকারিক বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেছেন, ‘‘ পুলিশ সুপারের নির্দেশে সাইবারক্রাইমের অফিসারেরা উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করছেন।’’ মোমো খেলায় প্রথমে জলপাইগুড়ি, তারপর মেদিনীপুরে আক্রান্ত দুই পড়ুয়া। ইতিমধ্যেই কার্সিয়াঙে এক ছাত্রের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গিয়েছে। সব মিলিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন প্রশাসন। মারণ খেলা বন্ধ করতে ফেসবুক, হোয়াটস্অ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার-সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি শুরু করেছে আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশ। ২৪ ঘণ্টা ইন্টারনেটে নজরদারি চালানোর জন্য আলাদা মনিটরিং সেল তৈরি হয়েছে। সেখানে কাজ করছেন প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ অফিসারেরা।আরও পড়ুন: ফের মারণ খেলা ইন্টারনেটে, ভয়াল চেহারায় হাজির ‘মোমো সুইসাইড চ্যালেঞ্জ গেম’
আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেছেন, “ এই সেল এমন পদ্ধতিতে কাজ করে যেখানে কোনও নির্দিষ্ট গ্রুপ বা বন্ধুর তালিকাতে না থাকলেও সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করা সব কিছুই এই সেলের নজরে আসবে। জেলার যে কোনও প্রান্তে উত্তেজক কোনও কিছু সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে তা এই সেলের নজরে আসবে।” মাত্র এক সপ্তাহ এই সেল কাজ করা শুরু করেছে। ধীরে ধীরে সেলের অফিসারেরাও দক্ষ হয়ে উঠছেন বলে জানিয়েছেন আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার সুনীল কুমার যাদব। তাঁর কথায়, ‘‘বিভিন্ন ভিডিও, ভয়েস মেসেজ যা সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হচ্ছে এবং সমাজে দাঙ্গা-সহ নানা বিপত্তি তৈরি করতে পারে এমন সব পোস্টের উপরই মূলত নজরদারি চালানো হচ্ছে।’’