
শেষ আপডেট: 20 January 2019 18:30
হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ তৈরি করে চলছিল বন্যপ্রাণীর শরীরে নানা অংশ কেনাবেচা। সেই খবর পেয়েই কোনওভাবে তাতে ঢুকে পড়েন সঞ্জয়বাবু। তখন ১০ লক্ষ টাকায় চিতাবাঘের চামড়া বেচাকেনা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। সঞ্জয়বাবু জানান, ক্রেতা সেজে দরদস্তুর চালান তিনি। ঠিক হয় ওদলাবাড়ি মোড়ে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হবে এই চামড়া। সেই মতোই রবিবার বিকেল চারটে নাগাদ দলবল নিয়ে তাঁরা পৌঁছে যান ওদলাবাড়িতে। মোটরবাইকে করে প্রাণীদেহের ওই কারবারিরা আসতেই ধরে ফেলেন তাদের। স্কুলের ব্যাগ থেকে মেলে চিতাবাঘের একেবারে কাঁচা চামড়া।
হলুদ মাখানো সেই কাঁচা চামড়া দেখেই ভুরুতে ভাঁজ পড়ে তাঁদের। সঞ্জয়বাবু বলেন, “রক্তও লেগেছিল চামড়ায়। ওই পাঁচজনকে জেরা করে জানতে পারি মাত্র ছ’দিন আগে মারা হয়েছে চিতাবাঘটিকে। এত নৃশংস ওরা, সেই চিতাবাঘের মাংসও খেয়ে ফেলেছে। তারপর ১০ লক্ষ টাকায় তা বিক্রি করতে এনেছে।”
ধৃত পাঁচজনের নাম বিকাশ রাই, রঞ্জিত মোহান্ত, সঞ্জয় অধিকারী, মোহন মুন্ডা ও কিষান তামাং। এরা লাটাগুড়ি ও নাগরাকাটা এলাকার বাসিন্দা। বনদফতরের ওই আধিকারিক জানান, এই ঘটনার সঙ্গে বন দফতরের এক গাইডের যোগসূত্র রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তাঁরা। হাতের তালুর মতো জঙ্গলকে চেনেন ওই ব্যক্তি। সম্প্রতি তাঁর খোঁজ মিলছে না। পুলিশ বিষয়টি দেখছে বলে জানিয়েছেন তিনি।