
শেষ আপডেট: 14 September 2019 13:24
আর পুলিশের এই পদক্ষেপে রীতিমতো ক্ষুব্ধ পাহাড়ের গাড়িচালকরা। প্রতিবাদ জানাতে গত কয়েকদিন কোনও পারমিটই সংগ্রহ করেননি তাঁরা। তাই টাইগার হিলে ওঠেনি কোনও গাড়ি। জটিলতা কাটাতে আজ ট্যুর অপারেটর ও গাড়ি চালকদের সঙ্গে বৈঠক করে পুলিশ।
বৈঠকে যোগ দিতে এসে হিমালয়ান হসপিটালিটি এন্ড ট্যুরিজম ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “আমরা প্রশাসনের কাছে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছি। কারণ পাহাড়ের পর্যটনের স্বার্থে তা অত্যন্ত প্রয়োজন। পাহাড়ে আসা সমস্ত পর্যটকই টাইগার হিলে সূর্যোদয় দেখতে যেতে চান। নতুন ব্যবস্থায় তাঁরা বঞ্চিত হবেন। আশা করি প্রশাসনিক উদ্যোগে সমস্যা মিটবে।” হিমালয়ান ট্রান্সপোর্ট কো অর্ডিনেশন কমিটির কর্তা প্রদীপ লামার বক্তব্য, “রোজ গড়ে বারোশো থেকে দু হাজার গাড়ি টাইগার হিলে যায়। এই সংখ্যা ৩০০তে বেধে দিচ্ছে পুলিশ। আজকের বৈঠকে অবশ্য প্রয়োজনে এই সংখ্যা অল্প বাড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তাই আজ থেকে কুপন সংগ্রহ করলেও আমাদের প্রতিবাদ জারি থাকবে। মুখ্যমন্ত্রীকেও চিঠি দেব আমরা।”
তবে নিজেদের অবস্থানে এখনও অনড় জেলা পুলিশ। টাইগার হিল বাঁচাতেই তাঁদের এমন উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
পুলিশের পদক্ষেপে পরিবেশবিদরা খুশি হলেও পর্যটকদের একাংশের আশঙ্কা, মাত্র তিনশো গাড়ির অনুমতি থাকলে, প্রতিদিনের কুপন ট্যুর অপারেটররাই সংগ্রহ করে নেবেন। যাঁরা কোনও পর্যটন সংস্থার সঙ্গে না গিয়ে নিজেরা যেতে চায় তাঁদের পক্ষে কুপন সংগ্রহ কি আর আদৌ সম্ভব হবে ? বাড়তি টাকার বিনিময়ে হয়তো ছাড়া হবে বাড়তি গাড়ি।
পুলিশ বা প্রশাসনের তরফে এ প্রশ্নের জবাব অবশ্য এখনও মেলেনি।