
শেষ আপডেট: 13 October 2018 05:42
রীতি মেনে তারাপীঠের মন্দিরে সপ্তমীর দিন শুরু হয় পুজো। অষ্টমীর দিন হয় বিশ্বশান্তির জন্য হয় মহাযজ্ঞ এবং সন্ধি পূজা। অষ্টমীর রাতে কুমারী পুজোও হয় পরম্পরা মেনে। তারাপীঠের মন্দিরে বলি হয় শুধুমাত্র নবমীতে। এ দিন দেবীকে উৎসর্গ করা হয় বিশেষ ভোগ। পোলাও, অন্ন, খিচুরি, পাঁচ রকমের ভাজা, দুই রকমের মাছ ভাজা, বলির মাংস। যেহেতু তারাপীঠ তন্ত্রপীঠ তাই ভোগের থালায় সাজিয়ে দেওয়া হয় কারণসুধাও।
দশমীর দিন সিঁদূর, পান, সুপারিতে বরণ করা হয় দেবীকে। স্থানীয় বাসিন্দারাও মন্দিরে এসে সিঁদুর দিয়ে বরণ করেন মাকে। কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, "শারদীয়ার চারদিন মা দেবী দুর্গা রূপে পূজিতা হন। মায়ের এই ভিন্ন রূপ দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার পুণ্যার্থী ভিড় জমান তারাপীঠে। অতীতের রীতি মেনে তন্ত্রমতে মা তারাকে দেবী দুর্গা রূপে আরাধনা করা হয়।’’
দশমীর পুজো শেষে সর্বত্র দেবীর বিসর্জনে বিষাদের সুর বাজলেও তারাপীঠের মন্দিরে বিসর্জন হয় না দেবীর। পরদিন থেকেই আবার তারা রূপে শুরু হয় মাতৃ আরাধনা।