
শেষ আপডেট: 12 August 2019 12:45
কুলপির দেরিয়াতে জামবেরিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাই বর্ষায় পড়তে আসে না বেশির ভাগ পড়ুয়া। জানা গেল স্কুলটি নিচু জায়গায়। তাই বর্যায় গোটা গ্রামের নিকাশিজল এসে জমা হয় এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে। ভরে ওঠে স্কুলের উঠোন। এবং তা ছাপিয়েই একাকার হয়ে যায় ক্লাসঘর, মিডডে মিল খাওয়ার ঘর, টয়লেট।
আরেক পড়ুয়ার মা আমিনা বিবির কথায়, ছেলেকে ভয়ে পাঠাই না স্কুলে। খাওয়ার জলের কলের নীচেও নোংরা জল। যদি জল খেয়ে কিছু খারাপ হয়, তাছাড়া ক্লাসঘরে পোকামাকড়- সাপের উৎপাত হয়। অনেকবার মাস্টারমশাইদের বলেছি। কিছু হয়নি। তাই বর্ষার সময় ছেলেকে বাড়িতেই বসিয়ে রাখি।
স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সত্যপ্রিয় মণ্ডলের অবশ্য দাবি, বহুদিন ধরে এই সমস্যা চলে আসছে। বারবার তিনি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
কুলপি ব্লকের স্কুল সার্কেল ইন্সপেক্টর নাসিরউদ্দিন মিস্ত্রি বলেন, “বৃষ্টি হলেই যে ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা নাকাল হন, তা আমরা জানি। কত তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান করা যায়, তা দেখে নিচ্ছি। ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।”
এত আশ্বাস যে অন্তত এই বর্যায় পূরণ সম্ভব নয়, বিলকুল বুঝেছেন পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকরা। কিন্তু পরের বর্ষাতেও কি একটা ঝকঝকে ক্লাসঘরে বসে পড়াশোনা করা সম্ভব হবে? যদি দিদি দেখেন একটু।