দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর দিনাজপুর : আব্দুল বারি ও নিজামুদ্দিন ধরা পড়ার পরেই বুধবার ইটাহারে আসল এসটিএফ এর বিশেষ দল। মারনাই এলাকায় আব্দুল বারির বাড়ি এবং যে প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরিতে সে কাজ করে সেখানে যায় ওই দলের সদস্যরা। সুত্র মারফত জানা গেছে, দুটি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, কিছু জরুরি নথি, ও কিছু বোমা বানানোর মসলা বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা।
মঙ্গলবার মালদার সামসি থেকে জেএমবি জঙ্গি সন্দেহে আব্দুল বারি ও নিজামুদ্দিনকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। দুজনেই ইটাহার থানার কাশিমপুর গ্রামের বাসিন্দা। খবর ছড়িয়ে পড়তেই কাশিমপুর গ্রামে দেখা দিয়েছে চাপা আতঙ্ক। দুজনের পরিবার ও পড়শি কেউই বিশ্বাস করতে পারছে না তাদের জঙ্গি যোগের কথা।
তাদের পরিবারসূত্রে জানা গেছে, দুজনেই প্রায় দশ দিন ধরে নিখোঁজ। তাই পুলিশেও ডায়েরি করেছেন তাঁরা। তবে দুজনের কেউই কোনও জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত নয় বলেই দাবি করে তাদের পরিবার। তাদের মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে বলেও দাবি করেছে পরিবারের সদস্যরা। আব্দুল বারির স্ত্রী মাইনুরা বিবি বলেন, “আমার স্বামী ওষুধের ব্যবসা করেন। সেই কাজেই মাঝেমধ্যে বাইরে যান। কোনও জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ নেই।”
তবে এসটিএফ এর গোয়েন্দারা জানান, উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহারের দুই বাসিন্দা আবদুল বারি ও তার সঙ্গী নিজামুদ্দিন বহুদিন থেকেই জঙ্গি সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল। সংগঠনের কাছ থেকে নির্দেশ এসেছিল উত্তর দিনাজপুর জেলায় মডিউল তৈরি করার। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত জামাত-উল-মুজাহিদিন ইন্ডিয়ার শীর্ষনেতা ইজাজও। এলাকার টার্গেট করা যুবকদের মগজ ধোলাই করে তাদের জঙ্গির খাতায় নাম লেখাত আবদুল বারি ও নিজামুদ্দিন।