এই বাংলোতে বসেই সাহিত্য আলোচনায় মুখর হতেন দুই কবি
দ্য ওয়াল ব্যুরো, রানাঘাট: কবিগুরুর বয়স তখন ৩৩। রানাঘাটে প্রায়ই তাঁর যাতায়াত লেগে থাকত। চূর্ণী নদী দিয়ে যাওয়ার সময় পড়ন্ত গোধূলির আলো দেখতে পছন্দ করতেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর পছন্দের জায়গা ছিল রানাঘাট মহকুমা শাসকের বাংলো। সবুজে ঘেরা
শেষ আপডেট: 3 September 2018 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো, রানাঘাট: কবিগুরুর বয়স তখন ৩৩। রানাঘাটে প্রায়ই তাঁর যাতায়াত লেগে থাকত। চূর্ণী নদী দিয়ে যাওয়ার সময় পড়ন্ত গোধূলির আলো দেখতে পছন্দ করতেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর পছন্দের জায়গা ছিল রানাঘাট মহকুমা শাসকের বাংলো। সবুজে ঘেরা সেই বাংলো আজও ইতিহাসের সাক্ষ বহন করে চলেছে।
সালটা ১৮৯৪। সেই সময় রানাঘাটের মহকুমা শাসক নবীন চন্দ্র সেন। কবি হিসেবে তখন পরিচিতি বেড়েছে নবীন চন্দ্রের। ১৮৭৫ সালে তাঁর প্রকাশিত ‘পলাশীর যুদ্ধ’ জনপ্রিয় হয়েছে। তার পর একের পর এক প্রকাশিত হয়েছে ‘রৈবতক’, ’কুরুক্ষেত্র’।রবীন্দ্রনাথের জন্য পথ চেয়েই থাকতেন কবি। রাতে বাংলোতে মুখোমুখি বসে চলত সাহিত্য আলোচনা।

আজকের দিনেই নাকি প্রথম দুই কবির সাক্ষাৎ হয়েছিল। তাই এই দিনটিকে স্মরণীয় রাখতে বাংলো প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। বহু বছর ধরে এমনটাই হয়ে আসছে। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বহু কাল ধরে বাংলোটি একই ভাবে রয়েছে। এমনকি যে ঘরে সাহিত্য আলোচনার আসর বসত সেই ঘরটিও রয়েছে একই রকম। প্রতি বছরই এখানে কবিমিলন উৎসব পালিত হয়।

বাংলো প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে দুই কবির আবক্ষ মূর্তি। এই বাংলোকে হেরিটেজের মর্যাদা দেওয়া হোক রাজ্য সরকারের কাছে এমনটাই আবেদন এলাকার বাসিন্দাদের।