Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

পুজোর এলেই আলো হয়ে ওঠে ময়নাপুরের জমিদার বাড়ির জীর্ণ ঠাকুরদালান

মৃন্ময় পান, বাঁকুড়া : অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়। ব্রিটিশ শাসকদের চাপিয়ে দেওয়া অতিরিক্ত করের বোঝা টানতে না পেরে মল্ল রাজাদের একের পর এক তালুক নিলাম হচ্ছে তখন। এই সময়েই জমিদারি শুরু হয় ময়নাপুরের মুখোপাধ্যায় পরিবারের। বিষ্ণুপুরের শেষ মল্ল রাজ

পুজোর এলেই আলো হয়ে ওঠে ময়নাপুরের জমিদার বাড়ির জীর্ণ ঠাকুরদালান

শেষ আপডেট: 2 October 2019 11:27

মৃন্ময় পান, বাঁকুড়া : অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়। ব্রিটিশ শাসকদের চাপিয়ে দেওয়া অতিরিক্ত করের বোঝা টানতে না পেরে মল্ল রাজাদের একের পর এক তালুক নিলাম হচ্ছে তখন। এই সময়েই জমিদারি শুরু হয় ময়নাপুরের মুখোপাধ্যায় পরিবারের। বিষ্ণুপুরের শেষ মল্ল রাজা চৈতন্য সিংহের দেওয়ান ছিলেন ময়নাপুরের বাসিন্দা চণ্ডীচরণ মুখোপাধ্যায়। চৈতন্য সিংহের আমলেই ময়নাপুর তালুকের জমিদারি লাভ করে মুখোপাধ্যায় পরিবার।   আর জমিদারী পত্তনের সঙ্গে সঙ্গে জমিদার বাড়ির ঠাকুর দালানে শুরু হয় দুর্গাপুজো। পরে দুর্গামন্দির ও চণ্ডীমণ্ডপ সংস্কার করেন ওই পরিবারেরই নিধিকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও তারিণীপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। কথিত আছে, সে সময় জমিদারির একদিনের আয়ে ওই বিশাল চণ্ডী মণ্ডপ ও দুর্গা মন্দির তৈরি হয়েছিল। পুজাকে ঘিরে সে সময় ধুমধামেরও সীমা ছিল না।  বিশাল জমিদার বাড়ির সদস্য ও তালুকের প্রজায় পুজার চারদিন গমগম করত চণ্ডী মণ্ডপ। যাত্রাপালা, রামায়ণ গান এ সব তো ছিলই, পাশাপাশি চারদিন ধরে চলত ভোজ।   বাঁকুড়া জেলার প্রাচীন জনপদগুলির মধ্যে অন্যতম হল জয়পুর ব্লকের এই ময়নাপুর গ্রাম। বহু কাল আগেই এই গ্রাম এলাকার একটি বর্ধিষ্ণু গ্রামের মর্যাদা পেয়ে আসছে। এই গ্রামকে কেন্দ্র করেই মুখোপাধ্যায় পরিবারের জমিদারি। ব্রিটিশ আমলের রমরমিয়ে চলা সেই জমিদারির এখন কণামাত্র অবশিষ্ট নেই। তবু প্রাচীন রীতি মেনে ময়নাপুর জমিদার বাড়ির ঠাকুর দালানে এখনও নিষ্ঠার সঙ্গে পালিত হয় দুর্গোৎসব। এখন জমিদারি না থাকায় পুজোর জৌলুস কমেছে। জীবন জীবিকার তাগিদে দূর দূরান্তে ছড়িয়ে পড়েছে জমিদারবাড়ির সদস্যরা। তবে পুজো এলেই মাটির টানে ফেরেন তাঁরা। ভিড় করেন জমিদার বাড়ির জীর্ণ দালানে। ফের গমগম করে ওঠে পলেস্তরা খসা ছাদ আর দেওয়ালের ঘেরাটোপ।

```