Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার

সুদীপ্ত রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ নেই! ল্যাব দুর্নীতি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ

মেডিক্যাল কলেজ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের অভিযোগ ছিল, সুদীপ্ত রায়ের নির্দেশেই হাসপাতালে বেলাগাম দুর্নীতি হয়েছে।

সুদীপ্ত রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ নেই! ল্যাব দুর্নীতি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ

সুদীপ্ত রায়

শেষ আপডেট: 25 November 2024 19:10

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ল্যাবরেটরিতে দুর্নীতির তদন্তে তৃণমূল বিধায়ক তথা রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়ের নাম উঠে আসার পরই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু এখন কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাস দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ মেলেনি। অর্থাৎ তিনি সুদীপ্ত রায়কে কার্যত ক্লিনচিট দিলেন। 

মেডিক্যাল কলেজ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের অভিযোগ ছিল, সুদীপ্ত রায়ের নির্দেশেই হাসপাতালে বেলাগাম দুর্নীতি হয়েছে। টাকার বিনিময়ে হাসপাতালের বেড বিক্রি থেকে শুরু করে একাধিক অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল বিধায়কের নামে। সুদীপ্ত একা নন, মেডিক্যাল কলেজের প্যাথলজিস্ট জয়ন্ত সেনও জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ। যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল সেটি এই দুজনের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে। 

এই তদন্তের প্রেক্ষিতেই অধ্যক্ষ দাবি করেছেন, সুদীপ্ত রায়ের বিরুদ্ধে যাদের অভিযোগ ছিল তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। যে অভিযোগ করা হয়েছিল তার কোনও প্রমাণ মেলেনি। যদিও এটাই কমিটির চূড়ান্ত রিপোর্ট নয়, অন্তর্বর্তী রিপোর্ট। এই বিষয়ে আরও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে আপাতত এটা স্পষ্ট করা হয়েছে, হাসপাতালের জিনিসপত্রের হিসেব রাখা থাকে, তাতে কোনও গরমিল নেই। 

প্রসঙ্গত, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের প্রধান সৌমিত্র ঘোষের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এর আগে আরজি কর হাসপাতালের দুর্নীতির তদন্তে তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা সুদীপ্ত রায়কে তলব করেছিল ইডি। জানা গেছে, রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে অনেকে ৫০ হাজার টাকা করে পেতেন! কেন, কীসের টাকা ছিল ওটা সেই বিষয়ে সুদীপ্ত রায়কে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তার উত্তরে সুদীপ্ত জানিয়েছিলেন, অ্যালাউন্সের টাকা ছিল। যারা চাকরি করে না বা অন্যভাবে উপার্জন করে না, এমন তিনজন পেয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। 


```