
শেষ আপডেট: 7 April 2024 19:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার থেকে ভূপতিনগর কাণ্ড নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। একদিকে বিজেপির সঙ্গে এনআইএ-র 'ষড়যন্ত্রের' বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ির জনসভা থেকে এনআইএর ‘আক্রান্ত’ হওয়ার ঘটনা নিয়ে রাজ্যের শাসক দলকে নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘‘দেশের আইন এবং সংবিধানকে তছনছ করছে তৃণমূল।’’ তৃণমূলকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীও। আর এবার আইন মেনেই তদন্তে গিয়েছিলেন এনআইএ অফিসাররা, বিবৃতি দিয়ে জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
বিজেপি-এনআইএ-র আঁতাত নিয়ে সরগরম শাসক-বিরোধী শিবির। রবিবার দিনভর বিজেপির সঙ্গে 'ষড়যন্ত্রের' অভিযোগের চর্চার পর বিকেল এনিয়ে সরব হয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এনআইএ-র তরফে জানানো হয়, 'আইন মেনেই তদন্তে গিয়েছিলেন অফিসাররা, তাদের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা হচ্ছে। কোনও রকম প্ররোচনা দেওয়া হয়নি।"
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশে ভূপতিনগরের বোমা বিস্ফোরণে তদন্তে নেমেছেন তাঁরা। শনিবার আইন মেনেই ভূপতিনগরে যান এনআইএ-র অফিসাররা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় জওয়ানরা। এই নিয়ে ভূপতিনগর থানাকেও জানানো হয়েছিল।
এনআইএ-র উপর হামলার ঘটনায় গ্রামবাসীদের 'উস্কানি'-র অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। কিন্তু সেই দাবি মানতে নারাজ তদন্তকারী সংস্থা। পাল্টা তাঁরা বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এনআইএ-র ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। একইসঙ্গে যে দুজন তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদেরকে আগেই নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা আসেনি। ফলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ীই তল্লাশিতে যায় এনআইএ।
ইতিমধ্যে এনআইএ-র উপর হামলার ঘটনায় খোঁজ নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কীভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলা হল, গোটা ঘটনা জানতে চেয়ে শনিবার সন্ধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর থানায় ফোন আসে। কোন গ্রামে ঠিক কী ঘটেছে এবং এদিনের সার্বিক ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার কাছে জানতে চেয়েছে অমিত শাহের মন্ত্রক।