
শেষ আপডেট: 21 February 2024 17:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্দেশখালি থেকে গ্রেফতার হয়েছেন রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিক সন্তু পান। তাঁকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই ঘটনায় এবার হস্তক্ষেপ করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে এই বিষয়ে রিপোর্ট চেয়েছে তাঁরা।
একজন সাংবাদিককে এভাবে কেন গ্রেফতার করা হল, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। পুলিশ জানিয়েছে, এক মহিলা তাঁদের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি যখন বাড়িতে কিছুটা অপ্রস্তুত অবস্থায় ছিলেন তখন ওই সাংবাদিক প্রায় জোর করে বাড়িতে ঢুকতে চান। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই ওই সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও সেই দাবি মানতে চাননি সাংবাদিকের আইনজীবী। এবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও এই ঘটনায় প্রশ্ন তুলল।
কমিশনের তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, সন্দেশখালিতে খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া এক সাংবাদিককে গ্রেফতার করার ঘটনা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতেই তাঁরা রাজ্য পুলিশের থেকে রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্যের ডিজিপির কাছ থেকে আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গেই কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডিআইজি যেন এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের ব্যাপারটি সম্পর্কে জানান।
রিপাবলিক বাংলার হয়ে আইনজীবী সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, পুলিশ ৪১-এ নোটিস ছাড়াই বেআইনিভাবে সাংবাদিককে গ্রেফতার করেছে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দের একক বেঞ্চে সন্তু পানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরের নিষ্পত্তি দাবি করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য শুনে বিচারপতি জানান, প্রসিডিংয়ের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়াই যায়, কিন্তু জামিনের জন্য জেলাশাসকের কাছে যেতে হবে। সন্তু পানের পাশে দাঁড়াতে নিজের এক্স হ্যান্ডেলের প্রোফাইলের ছবি ২৪ ঘণ্টার জন্য কালো করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিকের গ্রেফতারিরও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সন্দেশখালির বাসিন্দারাও।