
শেষ আপডেট: 13 November 2019 18:30
গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, জল ও খাবারের অভাবে জঙ্গলের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসছে বন্যপ্রাণীরা। গত অক্টোবর থেকে হোয়াঙ্গে ন্যাশনাল পার্ক প্রায় শ্মশানে পরিণত হয়েছে। শয়ে শয়ে বন্যপ্রাণীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে জঙ্গলের ভিতর থেকে। জিম্বাবোয়ে ন্যাশনাল পার্ক ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ দফতর (জিমপার্ক) জানিয়েছে, বিভিন্ন প্রজাতির কয়েকশো পাখির মৃত্যু হয়েছে এই গত দু’মাসে।
https://twitter.com/zenzele/status/1189206022776340485?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1189206022776340485&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.theguardian.com%2Fworld%2F2019%2Fnov%2F12%2Fdrought-kills-more-than-200-elephants-in-zimbabwe
জিমপার্কের মুখপাত্র তিনাশে ফারাও বলেছেন, “প্রচণ্ড জলাভাব জাতীয় উদ্যানগুলিতে। বাইরে প্রাকৃতিকভাবে জল ধরে রাখার উপায় নেই। বাইরে থেকে জল আনাতে হচ্ছে। সেই সঙ্গে খাবারের অভাব তীব্র। ধুঁকতে ধুঁকতে মৃত্যু হচ্ছে প্রাণীদের। আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি।” দেশের সমস্ত জাতীয় উদ্যান ও সংরক্ষণকেন্দ্রগুলি থেকে অন্তত ৬০০ হাতি, এক ডজনেরও বেশি সিংহ, ৫০টি বন্যমহিষ, ৪০টি জিরাফ, বন্য কুকুর, দু’হাজারের বেশি ইমপালাকে দক্ষিণ-পূর্ব জিম্বাবোয়ের সেভ ভ্যালি সংরক্ষণ কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে শতাব্দীর ভয়ঙ্করতম খরার মুখোমুখি হয়েছে জিম্বাবোয়ে। এর প্রকোপ চলবে ২০২০ সাল পর্যন্ত। ৫০ লক্ষের বেশি প্রান্তিক মানুষ আক্রান্ত। জিম্বাবোয়েতে মোট ৮৫ হাজার হাতি রয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের অর্ধেকের জন্যও পর্যাপ্ত খাবার অবশিষ্ট নেই। তীব্র দাবদাহে মাঠের ঘাস জ্বলে গেছে। নদী-নালা প্রায় জলশূন্য। কৃত্রিম জলধার শুকনো খটখটে। খাবারের খোঁজে গ্রামে গিয়ে হামলা চালাচ্ছে বন্যপ্রাণীরা। এখনও অবধি ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বন্যপশুর আক্রমণে।