
শেষ আপডেট: 5 April 2020 12:34
টুইটারে বাবা-মায়ের মৃত্যুর খবর শেয়ার করেছেন এই দম্পতির ছেলে বাডি বেকার। তিনি জানিয়েছেন, অসুস্থ হওয়ার পর ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন তাঁর মা-বাবা। সাধারণ ওষুধপত্র দিয়ে দম্পতিকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন ওই ডাক্তার। বলেন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে। এরপর সপ্তাহ তিনেক কেটে গেলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতির বদলে আরও অবনতি হতে থাকে ওই বৃদ্ধ-বৃদ্ধার। লক্ষণ দেখে বিষয়টা ভাল লাগেনি ডাক্তারের। এবার দম্পতিকে হাসপাতালে ভর্তি করার ব্যবস্থা করেন তিনি।
বাডি জানিয়েছেন, ১৯ মার্চ তাঁর মাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তীব্র শ্বাসকষ্ট এবং জ্বর ছিল তাঁর। সেসময় আদ্রিয়ানের জ্বর না থাকায় তাঁকে প্রথমে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে সেলফ আইসোলেশনে থাকার পরামর্শও দেওয়া হয় আদ্রিয়ানকে। কিন্তু স্টুয়ার্টের শরীর ক্রমাগত খারাপ হতে থাকে। শরীরে কমতে থাকে অক্সিজেনের মাত্রা। সিভিয়ার অ্যাস্থমা রোগী ছিলেন তিনি। ইতিমধ্যেই টেস্টের রিপোর্ট এলে জানা যায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন স্টুয়ার্ট। আদ্রিয়ানের শরীরেও পাওয়া যায় কোভিড ১৯ সংক্রমণের নমুনা। ফের হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে।
২৪ মার্চ স্টুয়ার্ট এবং আদ্রিয়ানের কোভিড ১৯ পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর থেকে তাঁদের সুস্থ করার সমস্ত চেষ্টাই করেছেন চিকিৎসকরা। তবে কোনও ওষুধেই আর সেভাবে সাড়া দিচ্ছিলেন না এই বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। শেষ পর্যন্ত ২৯ মার্চ মারা যান দু’জনেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন মাত্র ৬ মিনিটের ব্যবধানে মৃত্যু হয়েছে স্বামী-স্ত্রী’র। এমন ঘটনা দেখে হতবাক চিকিৎসকরাও। আর দম্পতির সন্তান বাডি বেকার বলছেন, “বাবা-মায়ের বন্ডিংটাই ছিল এরকম। কেউ কাউকে ছেড়ে থাকতে পারতেন না। তাই একসঙ্গেই চলে গেলেন।“