
শেষ আপডেট: 4 February 2019 18:38
তবে আলফা ঘাঁটির দখল নিলেও খোঁজ মিলছে না আলফা প্রধান পরেশ বড়ুয়ার। মায়ানমারের তাগার প্রদেশে নেউন শহরের পাশেই আছে ‘আলফা গ্রাম’। সেখানে স্বাধীনতাপন্থী আলফার প্রধান কার্যালয়। পরেশ বড়ুয়াও সেখানেই থাকেন। সূত্রের খবর, বাঁচার জন্য চিনের সঙ্গে কথাবার্তা চালাচ্ছেন পরেশ বড়ুয়া। তবে তিনি যাতে পালাতে না পারেন, তার জন্য চিন সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
মায়ানমারের জঙ্গি ঘাঁটিগুলির মধ্যে এনএসসিএন ( খাপলাং ) গোষ্ঠীই সবচেয়ে শক্তিশালী। জানা গিয়েছে, ২০১২ সালে তারা মায়ানমারে ঘাঁটি বানায়। তাদের লক্ষ নাগাদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র বা ‘নাগালিম’ তৈরি করা। তাদের বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ ও অন্যান্য সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের অভিযোগ আছে। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে তারা মণিপুরে সেনাবাহিনীর কনভয়ে বড় ধরণের হামলা চালায়। তারপরে ওই গোষ্ঠীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। তাদের কয়েকজন নেতাকে মায়ানমারে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।
২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গিয়েছিলেন মায়ানমার সফরে। তখনই জানা যায়, তিনি মায়ানমারের নেত্রী আউং সান সু কি-র সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। একসময় মায়ানমারের সেনা শাসকদের সঙ্গে ভালোই সম্পর্ক ছিল ভারত সরকারের। কিন্তু সু কি ক্ষমতায় আসার পরে মায়ানমারের সঙ্গে ভারতের একরকম দূরত্ব তৈরি হয়। সেই সুযোগে সু কি-র সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করতে চেষ্টা করে চিন।