শুধু তাই নয়, ৩ ও ৫ বছরের আরও দু'টি সন্তান রয়েছে শেইলা-রায়ানের। তাদের চেহারাও অস্বাভাবিক রকমের ছোট এবং গায়ের রং বিবর্ণ। দাঁত কালো হয়ে গেছে তাদের। সারা শরীরে অপুষ্টির ছাপ স্পষ্ট। দেরি করলে তারাও বিপদের মুখে পড়বে। রায়ানের আগে যার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল শেইলার, সেই পক্ষের আরও একটি সন্তান রয়েছে তাদের। সে একমাত্র শারীরিক ভাবে সুস্থ বলে জানিয়েছে পুলিশ। কারণ, সে বছরে দু'মাস করে ভার্জিনিয়ায় থাকত তার আগের বাবার সঙ্গে। সে কারণেই এই অমানবিক অত্যাচার থেকে মুক্তি পেয়েছে সে।


গ্রেফতার হওয়ার পরে শেইলা পুলিশকে জানিয়েছে, মারা যাওয়ার আগের এক সপ্তাহ কিচ্ছুটি খায়নি তার ছেলে। সে নাকি ভেবেছিল, হয়তো তার দাঁত উঠছে বলে খেতে চাইছে না, বা বুকের দুধেই তার খিদে মিটে যাচ্ছে।