দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাঞ্জাব বিধানসভা ভোটের (punjab assembly vote) প্রাক্কালে নতুন বিতর্ক (controversy) নভজ্য়োত সিং সিধুকে (sidhu) ঘিরে। পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তাঁর অনাবাসী ভারতীয় বোন (nri sister) সুমন তুর। সিধু নিষ্ঠুর লোক (cruel), দাবি তুরের। তাঁদের বাবা মারা যাওয়ার পর সিধু ১৯৮৬ সালে মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন, ১৯৮৯ সালে দিল্লি রেল স্টেশনে চরম দুর্দশায় তিনি মারা যান, জানিয়েছেন তুর।
তিনি বর্তমানে চন্ডীগড়ে রয়েছেন। সেখানেই সাংবাদিক সম্মেলন করে তুর সিধুর বিরুদ্ধে এমন বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন। সিধু যে বাবা-মা সম্পর্কে মিথ্যে বলেন, তা প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ তাঁর হাতে আছে বলেও জানিয়েছেন তুর।
শুধু সিধুর একার নয়, মা-কে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ সত্যি হলে কংগ্রেসের ভাবমূূর্তিরও জনমানসে ক্ষতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এমনিতেই সিধু বনাম চরণজিত্ সিং চান্নি বিতর্কে পাঞ্জাবে প্রচারে ধাক্কা খেয়েছে কংগ্রেস। কে দলের মুখ, সিধু না চান্নি, বিভ্রান্তি রয়েছে। গতকালই রাহুল গান্ধী পাঞ্জাব সফরে বলে দিয়েছেন, দুজন একসঙ্গে নেতা হতে পারেন না, যে কোনও একজন হবেন। তিনি দুজনের সামনেই জানিয়ে দেন, শীঘ্রই কংগ্রেস পাঞ্জাবে মুখ্যমন্ত্রী মুখ ঘোষণা করবে।
সিধুর বড় দিদি বলেছেন, সিধু অতীতে যখন মাত্র ২ বছর বয়স, তখনই তাঁদের বাবা মায়ের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় বলে যে দাবি করেছেন, তা পুরো মিথ্যে। পরিবারের পুরানো ছবি দেখিয়ে তুরের প্রশ্ন, এতে কি ওকে ২ বছরের মনে হচ্ছে! তুরের দাবি, তাঁদের বাবার প্রয়াণের পরই সিধু তাঁকে, তাঁর মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন সম্পত্তির লোভে। সেই থেকে সিধু তাঁর সঙ্গে সব সম্পর্ক অস্বীকার করেছেন। ২০ জানুয়ারি তিনি আগাম জানিয়ে সিধুর বাড়ি গেলেও তিনি দেখা করেননি।
বোনের অভিযোগ নিয়ে সিধুর প্রতিক্রিয়া অবশ্য মেলেনি। তবে তাঁর স্ত্রী নভজ্যোত কৌর সিধু দাবি করেন, তুরকে তিনি চেনেন না! পাল্টা বলেন, সিধুর বাবার প্রথম পক্ষের স্ত্রীর দুই মেয়ে। তাঁদের চিনি না।