Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

‘ন্যায়বিচার হত না!’ দলিত পড়ুয়ার জন্য আইআইটির দরজা খুলে দিল সুপ্রিম কোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দলিত ছাত্র (dalit student) প্রিন্স জয়বীর সিংকে বাঁচাল সুপ্রিম কোর্ট (supreme court)। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের ছেলেটি বম্বে আইআইটিতে (bombay iit) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের জন্য নির্বাচিত হয়। কিন্তু তাঁর সিটটি (seat) নিশ

‘ন্যায়বিচার হত না!’ দলিত পড়ুয়ার জন্য আইআইটির দরজা খুলে দিল সুপ্রিম কোর্ট

শেষ আপডেট: 23 November 2021 12:06

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দলিত ছাত্র (dalit student) প্রিন্স জয়বীর সিংকে বাঁচাল সুপ্রিম কোর্ট (supreme court)। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের ছেলেটি বম্বে আইআইটিতে (bombay iit) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের জন্য নির্বাচিত হয়। কিন্তু তাঁর সিটটি (seat) নিশ্চিত করার জন্য অ্যাকসেপ্টেন্স ফি (fee) বাবদ ১৫ হাজার টাকা সে অনলাইনে জমা দিতে পারেনি। তবে পরে যখন সে বোনের সাহায্যে টাকার ব্যবস্থা করে, তখন ওয়েবসাইটে যান্ত্রিক সমস্যার (technical glitches) মুখোমুখি হয়। অনলাইনে টাকা জমা দিতে না পেরে সে খড়্গপুর আইআইটিতেও যায়। সিটের কাউন্সেলিং সেখানেই হচ্ছিল। প্রিন্স এরপর বম্বে হাইকোর্টে যায়। আবেদন করে, তাঁকে সুযোগ দেওয়া হোক। কিন্তু হাইকোর্ট আবেদন খারিজ করায় মরিয়া প্রিন্স দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টের। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে মুখে হাসি ফোটে তাঁর। শীর্ষ আদালত আইআইটিকে তাঁর জন্য একটি আসন বরাদ্দ করতে নির্দেশ দেয়। ৪৮ ঘণ্টার সময় দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বলে, এই ছাত্রের জন্য একটি আসনের ব্যবস্থা করুন। তবে এজন্য যাতে ইতিমধ্যে ভর্তি হওয়া পড়ুয়াদের সমস্যা না হয়, সেটাও সুনিশ্চিত করুন। বেঞ্চের সদস্য বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, এই আদালতের সামনে এক তরুণ দলিত ছাত্র এসে দাঁড়িয়েছে যে আইআইটি বম্বের বরাদ্দ করা মূল্যবান আসনটি হারাতে বসেছে (admission)। ফি দিতে না পেরে ভর্তি হতে না পারলে, সুপ্রিম কোর্ট থেকেও প্রত্যাখ্যাত হলে সেটা ন্যয় বিচারের অপলাপ হত। উচ্ছ্বসিত প্রিন্স বলেছে, আমাদের প্রার্থনায় সাড়া দিয়েছেন ঈশ্বর। আমি খুবই খুশি। গত কয়েকটা দিন খুব যন্ত্রণায় কাটিয়েছি। আমাদের শেষ ভরসাস্থল ছিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বভারতীয় তালিকায় প্রিন্সের স্থান ছিল ২৫৮৯৪। তফসিলি জাতি ক্যাটেগরিতে ৮৬৪। গত বছর সফল হতে না পেরে সে এলাহাবাদের এক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেও আইআইটি প্রবেশিকার প্রস্তুতি চালিয়ে যায়। প্রিন্সের পরিবারে প্রথম সে-ই এত দূর পড়াশোনার সুযোগ পেল। তার বাবা দিল্লি পুলিশের নীচুতলার অফিসার। প্রিন্স বলেছে, আমার স্বপ্ন ছিল আইআইটি পড়ব। আমার জীবনের লক্ষ্য প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হওয়া। দেশের প্রতিরক্ষা সেক্টরের আধুনিকীকরণ করতে চাই যাতে উন্নত মানের যুদ্ধবিমানের অত্যাধুনিক যন্ত্রাংশ বাইরে থেকে আমদানির ওপর নির্ভর করতে না হয়।

```