হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রামে জরুরি নথি শেয়ার নয়, নয়া গাইডলাইন কেন্দ্রের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হোয়াটসঅ্যাপে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় হয়েছে। গোপনীয়তা থাকছে না সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলিতে, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগও উঠেছে বারে বারে। তাই এবার কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
কেন্দ্রে
শেষ আপডেট: 21 January 2022 11:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হোয়াটসঅ্যাপে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় হয়েছে। গোপনীয়তা থাকছে না সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলিতে, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগও উঠেছে বারে বারে। তাই এবার কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
কেন্দ্রের নয়া গাইডলাইনে বলা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রামের মতো অ্যাপে কোনও ব্যক্তিগত বা জরুরি নথি শেয়ার করা যাবে না। বিশেষ করে, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্তা বা জাতীয় সুরক্ষার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন যে কর্তাব্যক্তিরা তাঁদের ক্ষেত্রে এই গাইডলাইন বিশেষভাবে প্রযোজ্য। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি বলছে, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলিতে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি বেশি। কোনও গোপন তথ্য বা দেশের সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও নথি হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রামের মাধ্যমে শেয়ার করলে তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কেন্দ্রের রিপোর্ট বলছে, বাড়িতে বসে কাজের সময় এইসব মেসেজিং অ্যাপই বেশি ব্যবহার করা হয়। এগুলি কোনও সরকারি সংস্থার নিয়ন্ত্রণে থাকে না। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা এই মেসেজিং অ্যাপগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে ইনফরমেশন লিক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।
কেন্দ্রের সমস্ত মন্ত্রকের কর্তাব্যক্তিদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, ভিডিও কনফারেন্সে ভার্চুয়াল মিটিং বা জুম মিটিংয়ের সময় হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রামে তথ্য চালাচালি না করতে। দেশের কোনও বিষয় নিয়ে যখন কনফারেন্স মিটিং হবে তখন যে কোনও মেসেজিং অ্যাপ, অ্যামাজনের অ্যালেক্সা বা অ্যাপেলের হোমপড ব্যবহারও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রের ডিজিটাল নজরদারি বিধি চালু হয়েছে, যার আওতায় নেটমাধ্যমে প্রকাশিত যাবতীয় লেখালেখি এবং ভিডিয়োর উৎস কেন্দ্রকে জানাতে বাধ্য থাকবে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবের মতো সংস্থাগুলি। সরকারি সূত্র বলছে, হোয়াটসঅ্যাপের উপরও কেন্দ্রের বিধিনিয়ম কার্যকর হয়। কোন বার্তা কোথা থেকে আসছে, তা জানাতে বাধ্য তারা, যাতে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতা রক্ষায় গুরুতর অপরাধ বিচার করে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা যায়, তাদের শাস্তি দেওয়া যায়।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'