
শেষ আপডেট: 23 April 2020 13:09
দেশে এই ৩০ দিনে করোনা সংক্রমণের সংখ্যাকে একটা লিনিয়ার গ্রাফের মাধ্যমেও দেখিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। সেখানে দেখা যাচ্ছে একটা নির্দিষ্ট হারে এই সংক্রমণ বেড়েছে। হঠাৎ করে এই কার্ভে কোনও বৃদ্ধি হয়নি। এটাই প্রমাণ দিচ্ছে সংক্রমণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে।
সেইসঙ্গে ৩০ দিন আগের ও ৩০ দিন পরের সংক্রমণ বৃদ্ধির হার অর্থাৎ গ্রোথ রেটকেও একটা কার্ভে দেখানো হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ২৩ মার্চ ভারতে করোণা সংক্রমণের গ্রোথ রেট ছিল ৫.৭ শতাংশ। ৩০ দিন পরে অর্থাৎ ২২ এপ্রিল সেই গ্রোথ রেট ৪.৫ শতাংশ। অর্থাৎ এই ৩০ দিনে গ্রোথ রেট তো বাড়েইনি, বরং কমেছে।
প্রথম বিশ্বের বেশ কিছু দেশের পরিসংখ্যানের সঙ্গে ভারতের পরিসংখ্যানকেও তুলনা করে দেখানো হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে। আমেরিকা, ব্রিটেন, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-র বেশি হওয়ার পর এই পরিসংখ্যান দেখানো হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ইতালি, আমেরিকা ও ব্রিটেনের তুলনায় ভারতে সংক্রমণ অনেক কম। সেইসঙ্গে টেস্টের ভিত্তিতেও এই পরিসংখ্যান দেখিয়েছেন সি কে মিশ্র। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ আমেরিকায় ৫ লাখ টেস্ট হয়েছিল, আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮০ হাজার। ৩১ মার্চ ইতালিতে ৫ লাখ টেস্ট হয়েছিল, আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ। ২০ এপ্রিল ব্রিটেনে ৫ লাখ টেস্ট হয়েছে, আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২০ হাজার। আর ভারতে তা হয়েছে ২২ এপ্রিল। আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার।”
এই ৩০ দিনের মধ্যে ভারতে কোভিড ১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালের সংখ্যা ৩.৫ গুণ বাড়ানো হয়েছে ও আইসোলেশন বেডের সংখ্যা ৩.৬ গুণ বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সি কে মিশ্র। তিনি জানিয়েছেন, ভারতে করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে এই লড়াই জারি রয়েছে। এই লড়াই আরও চলবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।