এক বছর বেতনের ৩০ শতাংশ নেবেন না রাষ্ট্রপতি, আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে কমানো হচ্ছে ভবনের অন্যান্য খরচও
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় এর আগে মার্চ মাসে নিজের এক মাসের বেতন প্রধানমন্ত্রী তহবিলে দান করেছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এবার জানানো হল, এক বছর নিজের বেতনের ৩০ শতাংশ নেবেন না তিনি। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রপতি ভবন
শেষ আপডেট: 14 May 2020 11:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় এর আগে মার্চ মাসে নিজের এক মাসের বেতন প্রধানমন্ত্রী তহবিলে দান করেছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এবার জানানো হল, এক বছর নিজের বেতনের ৩০ শতাংশ নেবেন না তিনি। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রপতি ভবনের অন্যান্য খরচও কমানো হবে। আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে সাহায্য করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জারি একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রাষ্ট্রপতি ভবনের অন্যান্য খরচ কমানোর ব্যাপারেও নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তাঁর মতে এটি আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে এবং করোনা মোকাবিলা করে ভারতের উন্নতির পথে একটা ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”
মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, এক আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র। তার জন্য ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের অর্থনীতিকে ফের তুলে ধরতে এই প্যাকেজ কাজে লাগানো হবে।
রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ভবনের খরচ কমানোর চিন্তা করা হচ্ছে। কোনও অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির জন্য যে লিমোজিন গাড়ির বন্দোবস্ত করা হয় এবার থেকে তা করা হবে না। তার বদলে ভবনের অন্য গাড়ি ব্যবহার করবেন রাষ্ট্রপতি। সেই সঙ্গে জ্বালানির ব্যবহারও কমানো হবে।”
নিজের সফরের সংখ্যা রাষ্ট্রপতি কমাবেন বলেই জানানো হয়েছে এই বিবৃতিতে। বলা হয়েছে, “যেসব ঘরোয়া সফর রাষ্ট্রপতি করেন তার সংখ্যা কমানো হবে। এতে সামাজিক দূরত্বও বজায় থাকবে। তার বদলে টেকনোলজি ব্যবহার করে মানুষের কাছে পৌঁছবেন রাষ্ট্রপতি। এছাড়াও প্রজাতন্ত্র দিবস, স্বাধীনতা দিবসের মতো অনুষ্ঠানে ভবনে যে নৈশভোজের বন্দোবস্ত করা হয় তার ধার-ভারও কমানো হচ্ছে। নিমন্ত্রিত অতিথিদের সংখ্যা কমানো হবে। সেইসঙ্গে খাবারের তালিকাও অনেক কম করা হবে।”
রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ জানিয়েছেন, এই সব ব্যবস্থা কার্যকর করলে ভবনের জন্য যে বাজেট রাখা হয় তার অন্তত ২০ শতাংশ বাঁচবে। সেইসঙ্গে আগামী বছর ভবনের কোনও নতুন কাজ করা হবে না বলেই জানানো হয়েছে। যেসব মেরামতির কাজ চলছে সেগুলিও কমানো হবে। তবে রাষ্ট্রপতি ভবনে কাজ করা কর্মীদের কোনও সমস্যা হবে না বলেই জানানো হয়েছে। তাঁদের কাজ থাকবে। যে টাকা তাঁরা পেতেন সেই টাকাই তাঁদের দেওয়া হবে।