দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা আবহে সেই উৎসবের আমেজ নেই গণেশ চতুর্থীকে ঘিরে। বিশেষ করে অন্যান্য বছর এই দিনে মুম্বইয়ের ছবিটাই থাকে আলাদা। কিন্তু এবার বড় জমায়েতের নির্দেশ নেই। তার মধ্যেই এই বিশেষ দিনে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেইসঙ্গে সবার জন্য খুশি ও সৌভাগ্যের প্রার্থনা করলেন তিনি।
শনিবার সকালে টুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “গণেশ চতুর্থীর এই বিশেষ দিনে সবাইকে শুভেচ্ছা। আশা করি ভগবান শ্রী গণেশের আশীর্বাদ সবসময় আমাদের উপর থাকবে। সবার জন্য খুশি ও সৌভাগ্যের প্রার্থনা করি।”
https://twitter.com/narendramodi/status/1296992260228358145?s=19
সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনিও টুইট করে লেখেন, “দেশবাসীকে গণেশ চতুর্থীর এই শুভ দিনে অনেক শুভেচ্ছা।” রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল টুইট করে লেখেন, “দেশের সব মানুষকে গণেশ চতুর্থীর এই বিশেষ তিথিতে অনেক শুভেচ্ছা জানাই। প্রার্থনা করি ভগবান শ্রী গণেশ দেশের সবাইকে এই কঠিন পরিস্থিতি সামলানোর জন্য আরও শক্তি দিন। আজকে গোটা দেশের মঙ্গলকর্তা বিঘ্নহর্তার আশীর্বাদ প্রয়োজন।”
অন্যান্য বছর এই দিনে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, গুজরাত প্রভৃতি কয়েকটি রাজ্যে আনন্দে মেতে ওঠে। বিশেষ করে বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ে তো গণপতি উৎসব সবথেকে বড় করে পালন হয়। গোটা দেশ তো বটেই বিদেশ থেকেও অনেকে এই উৎসবের সাক্ষী হওয়ার জন্য আসেন। বিশাল বিশাল গণেশ মূর্তি ও জন সমাগমে বাণিজ্য নগরী স্তব্ধ হয়ে যায়। গণেশ ঠাকুরের বিসর্জনের শোভাযাত্রাও দেখার মতো।
এবার অবশ্য করোনা আবহে সব বন্ধ। জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বেশি বড় ঠাকুর তৈরির অনুমতি নেই। তাই বেশিরভাগ জায়গাতেই ছোট ঠাকুর করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব মেনে, মাস্ক পরে, কম জমায়েত করেই সবাই মেতেছেন সিদ্ধিদাতার পুজোতে। অনেক পুজো কমিটি আবার অনলাইনে ঠাকুর দেখার ব্যবস্থা করেছেন।
ছবিটা অনেকটা একই রকম এই রাজ্যেও। তার মধ্যে গত দু’দিন লকডাউন থাকায় আগে থেকেই পুজোর জোগাড় করতে হয়েছে। ছোট করে হলেও অনেকেই যোগ দিয়েছেন এই পুজোয়। মিষ্টির দোকানে লাড্ডু ও মোদকের চাহিদা রয়েছে। করোনা আবহেও সবাই সিদ্ধিদাতার কাছে প্রার্থনা করছেন। একই প্রার্থনা করলেন প্রধানমন্ত্রীও।