দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্তর্জাতিক যাত্রার ক্ষেত্রে নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল জারি করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বন্দে ভারত মিশন ও এয়ার ট্রান্সপোর্ট বাবল এগ্রিমেন্টের আওতায় যে বিমানগুলি চলছে, তাদের সবার জন্যই জারি হয়েছে নির্দেশিকা।
এই স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকলে বলা হয়েছে, যাঁরা বন্দে ভারত মিশনের আওতায় ভারতে ফিরতে চান, তাঁদের নিজেদের নাম এই মিশনের মধ্যে নথিভুক্ত করতে হবে। সেখানে জানাতে হবে তাঁরা বিদেশে আটকে পড়েছেন, না সেখানে বাস করছেন। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় সব তথ্য তাঁদের জানাতে হবে। কিন্তু এয়ার বাবল এগ্রিমেন্ট অর্থাৎ দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় যাঁরা দেশে ফিরতে চান, তাঁদের নিজেদের নাম নথিভুক্ত করার কোনও দরকার নেই।
এই মুহূর্তে সাতটি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে বিমান পরিষেবা চলছে ভারতের। এই দেশগুলি হল আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স, কাতার, মলদ্বীপ ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। আরও প্রায় ১৩টি দেশের সঙ্গে কথা চলছে ভারতের। একবার চুক্তি স্বাক্ষর হয়ে গেলেই সেই দেশগুলির সঙ্গেও বিমান পরিষেবা চালু হবে।
অন্যদিকে গত ৬ মে থেকে শুরু হয়েছে বন্দে ভারত মিশনের আওতায় বিমান চলাচল। এই মুহূর্তে এই মিশনের পঞ্চম পর্যায় চলছে। শুধুমাত্র যেসব কর্মীরা কোভিড নেগেটিভ, তাঁরাই বিমান নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বে রয়েছেন।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি এসওপিতে বলা হয়েছে, যাঁরা সমস্যার মধ্যে রয়েছেন, অর্থাৎ পরিযায়ী শ্রমিক, অল্পদিনের ভিসায় যাওয়া ব্যক্তিরা, শারীরিক সমস্যা রয়েছে এমন ব্যক্তি, গর্ভবতী মহিলা, বয়স্ক ব্যক্তি ও ছাত্র-ছাত্রীদের বন্দে ভারত মিশনের আওতায় আগে দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে।
যাঁরা দেশে ফেরার জন্য নিজেদের নাম নথিভুক্ত করবেন, তাঁদের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী তালিকা তৈরি করবে বিদেশমন্ত্রক। সেখানে তাঁদের সব তথ্য, অর্থাৎ নাম, বয়স, লিঙ্গ, মোবাইল নম্বর, কোথায় বাড়ি, কোথায় যাবেন, আরটি-পিসিআর টেস্টের রেজাল্ট সব লেখা থাকবে।
অন্যদিকে এয়ার ট্রান্সপোর্ট বাবলের আওতায় ফিরতে পারা যাত্রীদের ক্ষেত্রেও একটি তালিকা তৈরি করবে বিদেশমন্ত্রক। তবে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশেরও পরামর্শ নেওয়া হবে। তারপরে তা সংশ্লিষ্ট বিমানসংস্থার কাছে পাঠানো হবে। শুধুমাত্র ভারতে ফিরতে চাওয়া যাত্রীদের জন্য নয়, ভারত থেকে বিদেশে যেতে চাওয়া যাত্রীদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম মানা হবে বলে জানানো হয়েছে এসওপিতে। এক্ষেত্রে বিমানসংস্থাকে একটা জিনিস মাথায় রাখতে বলা হয়েছে, যে দেশে কোনও ব্যক্তি যেতে চাইছেন, সেই দেশে অন্য দেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের ঢোকার অনুমতি আছে কিনা। যদি সেই দেশ কোনও শর্ত দেয়, তা পূরণ করতে হবে সংশ্লিষ্ট যাত্রীকেই।