দ্য ওয়াল ব্যুরো: মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরার পরেই একাধিক শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কেরলের জইনেশ। শনিবার রাতে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ বছরের এই যুবকের। যদিও জইনেশের মৃত্যুর পর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর রক্তে করোনাভাইরাসের জীবাণু পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার দেশে ফেরার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন জইনেশ। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে কেরলের এর্নাকুলমের হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় তাঁকে। কিন্তু পরীক্ষার পরে করোনাভাইরাসের জীবাণু পাওয়া যায়নি জইনেশের শরীরে। অবশ্য মৃত্যুর পরে ফের একবার তাঁর নমুণা সংগ্রহ করছেন চিকিৎসকেরা। ফের একবার ভাল করে সেই নমুণা পরীক্ষা করে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, জইনেশের শরীরে করোনাভাইরাসের জীবাণু মেলেনি। কিন্তু শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়েবেটিস প্রভৃতি একাধিক সমস্যা ছিল জইনেশের। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে সেই সমস্যার কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। তবে আমরা আরও একবার পরীক্ষা করে দেখব। হাসপাতালের চিকিৎসক গণেশ মোহনান বলেছেন, “জইনেশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন। তাঁর শ্বাসকষ্টও হচ্ছিল। পরীক্ষার পর দেখা যায় তিনি ডায়াবেটিস আক্রান্ত। ফলে রক্তচাপও ওঠানামা করছিল।”
মালয়েশিয়াতে ইতিমধ্যেই ২৫ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে খবর। তাই এই মৃত্যুর খবর শুনতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে কেরলে। অনেকের সন্দেহ, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে জইনেশের। নইলে মৃত্যুর পর ফের কেন পরীক্ষা করে দেখবেন চিকিৎসকেরা। এর আগেও কেরলে তিনজনের শরীরে করোনার জীবাণু পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু তাঁরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে খবর।
চিন থেকে ইতিমধ্যেই বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই করোনাভাইরাস। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশে অনেকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। যদিও ভারতে এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা হাতে গোণা। মৃত্যুও হয়নি। কিন্তু তারপরেও জইনেশের মৃত্যু ফের একবার ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। আতঙ্ক শুরু হয়েছে কেরল জুড়ে।