
শেষ আপডেট: 27 February 2020 09:34
ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ভারত সফরে তখন থেকেই দিল্লির পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হতে শুরু করে। এমনকি তিনি যখন দিল্লির এক প্রান্তে রাজকীয় সুইটে রাত্রিযাপন করছেন বা পরের দিন রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে নৈশভোজে যোগ দিচ্ছেন তখন রাজধানীর উত্তর-পূর্বে চলছে দেদার হিংসা।
কূটনৈতিক মহলের মতে, পাঁচ বছর আগে বারাক ওবামা ভারত সফরে এসে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা নিয়ে কড়া ভাষায় বক্তৃতা দিয়েছিলেন, ট্রাম্পের গলায় সেসবের ছিটেফোঁটা ছিল না। তাঁদের মতে, বরং ট্রাম্প মোদী বন্দনাতেই নিজের বক্তৃতা সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উপর অগাধ আস্থা জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বলেছিলেন, ভারতের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা দেওয়ার জন্য মোদী কঠোর পরিশ্রম করছেন। দিল্লির হিংসাকে 'বিক্ষিপ্ত' বলে উল্লেখ করে জানিয়েছিলেন, ওই ব্যাপারে মোদীর সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি।
ট্রাম্প ফিরে যাওয়ার পর দু'দিন হয়ে গেল। এখনও আগুন জ্বলছে দিল্লিতে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। পুলিশি টহল, মোদীর শান্তির বার্তা, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের এলাকায় ঘোরার পরও পরিস্থিতির কোনও বদল নেই। এদিনও নর্দমা থেকে উদ্ধার হয়েছে দুটি দেহ। পর্যবেক্ষকদের মতে, ট্রাম্প যতই মোদীর গুণগান করে যান, দিল্লি সামলাতে যে তাঁর সরকার ডাহা ফেল করেছে মমতা সেটাকেই বোঝাতে চেয়েছেন।