'রাজনীতিতে যাওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই আমার', জল্পনা উড়িয়ে জবাব করিনার
দ্য ওয়াল ব্যুরো : কিছুদিন আগে শোনা গিয়েছিল উনিশের লোকসভায় বিজেপি প্রার্থী হতে পারেন অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত। তারপরেই শোনা যায়, মাধুরীর পালটা হিসেবে ভোপাল থেকে আরেক বলি অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানকে প্রার্থী করার কথা ভাবছে কংগ্রেস। কিন্তু সব
শেষ আপডেট: 21 January 2019 17:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো : কিছুদিন আগে শোনা গিয়েছিল উনিশের লোকসভায় বিজেপি প্রার্থী হতে পারেন অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত। তারপরেই শোনা যায়, মাধুরীর পালটা হিসেবে ভোপাল থেকে আরেক বলি অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানকে প্রার্থী করার কথা ভাবছে কংগ্রেস। কিন্তু সব জল্পনাকে উড়িয়ে দিলেন করিনা। বললেন, আপাতত রাজনীতিতে যাওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই তাঁর।
শোনা গিয়েছিল মধ্যপ্রদেশের দুই কংগ্রেস নেতা গুড্ডু চৌহান ও আনাস খান ভোপাল সংসদীয় কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে করিনা কাপুরের নাম প্রস্তাব করেছেন। যদিও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ এ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করেননি। সোমবার সন্ধ্যায় ৩৮ বছরের এই অভিনেত্রী জানান, "এই খবরের কোনও সত্যতা নেই। আমার সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেননি। আমার ফোকাস এখন শুধু সিনেমা। রাজনীতিতে যাওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই।"
এর আগে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে একটা চিঠি লিখে ভোপালের এক কংগ্রেস নেতা যোগেন্দ্র সিং চৌহান জানিয়েছিলেন, "যদি করিনা কাপুর খান ভোপাল থেকে প্রার্থী হন, তাহলে বিজেপির কাছ থেকে এই আসন ছিনিয়ে নেওয়া সহজ হবে।"
তবে ভোপালের সঙ্গে পতৌদি পরিবারের সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৯১ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি রাজীব গান্ধী ভোপাল থেকে দাঁড় করিয়েছিলেন ‘টাইগার’ পতৌদিকে। রাজীব নিশ্চিত ছিলেন, পতৌদি জিতছেনই। কারণ ভোপালে নবাবরা খুবই জনপ্রিয়। একসময় তাঁরা গরিবদের বিপুল পরিমাণ জমি দান করেছিলেন। কিন্তু রাজীবের আশা পুর্ণ হয়নি। ’৯১ সালে ভোপালে হেরে গিয়েছিলেন পতৌদি। সে বার ভোটে স্বামীর হয়ে প্রচার করেছিলেন শর্মিলা ঠাকুর। তারপরেও তিনি জেতেননি।
এই ঘটনার পর মধ্যপ্রদেশের বিজেপির মুখপাত্র রজনীশ আগরওয়াল এই ঘটনাকে 'এন্টারটেইনিং' আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, "ভোপালে বিজেপি খুব শক্তিশালী। এখানকার উন্নতির জন্য অনেক পরিশ্রম করেছি আমরা। স্থানীয় কংগ্রেস নেতাদের দেখে বোঝা যাচ্ছে বিজেপির বিরুদ্ধে দাঁড়াবার মতো কোনও নেতা ভোপালে তাঁরা খুঁজে পাচ্ছেন না। তাই বলিউড অভিনেত্রীদের পিছনে ছুটছেন।"