দ্য ওয়াল ব্যুরো: এবার করোনা আক্রান্ত হলেন ঝাড়খণ্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বন্ন গুপ্ত। মঙ্গলবার রাতে তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, তাঁর কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। একই সঙ্গে আবেদন জানিয়েছেন, সম্প্রতি যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন তাঁরা যেন কোভিড টেস্ট করিয়ে নেন এবং এখন কটা দিন আইসোলেশনে থাকেন।
কিন্তু সবচেয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে খোদ মন্ত্রিসভাতে। কারণ সোমবারই ছিল ঝাড়খণ্ডের ক্যাবিনেট বৈঠক। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন-সহ প্রায় সমস্ত মন্ত্রীই উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কোভিড সংক্রমণের খবর আসতেই তাই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, তাহলে কি মুখ্যমন্ত্রী-সহ গোটা মন্ত্রিসভাই আপাতত কোয়ারেন্টাইনে যাবেন?
বন্ন জানিয়েছেন, তাঁর কয়েক দিন ধরেই কোভিডের উপসর্গ ছিল। অর্থাৎ হালকা জ্বর ও সর্দির মতো উপসর্গ ছিল ঝাড়খণ্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। তা নিয়েও তিনি কেন ক্যাবিনেট বৈঠকে উপস্থিত হলেন, অনেকেই সে ব্যাপারে প্রশ্ন তুলছেন। কেউ কেউ বলছেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী দায়ত্ব নিয়ে গোটা ক্যাবিনেটকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর বন্দোবস্ত করেছেন। একজন দায়ত্বশীল মন্ত্রীর থেকে যা কোনও ভাবেই কাম্য নয়।
অন্য দিকে অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন দলের সভাপতি সুদেশ মাহাতোও কোভিড সংক্রামিত হয়েছেন। তিনিও আবেদন জানিয়েছেন, যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন তাঁরা যেন কোভিড টেস্ট করিয়ে নেন এবং এখন কটা দিন আইসোলেশনে থাকেন।
এমনিতে মন্ত্রীদের কোভিড আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। বিভিন্ন রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় সরকার পর্যন্ত মন্ত্রীরা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, অর্জুন রাম মেঘওয়ালরা। কোভিড মুক্ত হওয়ার পর বাড়িতে ফিরলেও ফের সোমবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। প্রসঙ্গত, অমিত শাহের করোনা সংক্রমণ নিয়েও কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ, তার দু’দিন আগেই তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
তা ছাড়া মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, কর্ণাটকের বিএস ইয়েদুরাপ্পারাও কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন এর আগে। তবে তাঁরা সুস্থও হয়ে উঠেছেন।