দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশের পরে দিল্লির একাধিক হাসপাতালের মর্গে পড়ে থাকা কোভিডে মৃতদের শেষকৃত্য করা শুরু করল হাসপাতালগুলিই। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে এই কাজ। শেষকৃত্যের আগে অবশ্য মৃতের পরিবারের কাছে অনুমতি নেওয়া হচ্ছে। তারপর হাসপাতালের তরফেই সব কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
কয়েক দিন আগেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে খবর আসে, দিল্লির একাধিক হাসপাতালের মর্গে অনেক মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুর পর রিপোর্ট আসতে দেরি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে আবার মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তারপরেই অমিত শাহ নির্দেশ দেন পরিবারের অনুমতি নিয়ে, অথবা যেসব ক্ষেত্রে পরিবারের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, হাসপাতালগুলিকেই শেষকৃত্য করতে হবে। মঙ্গলবার থেকে সেই কাজ শুরু হয়েছে। বুধবারও দিল্লিতে ৩৬ টি মৃতদেহের শেষকৃত্য করা হবে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
অমিত শাহ জানিয়েছেন, করোনায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধিতে পরিবর্তন আনা হবে। যত কম সময় মৃতদেহ ফেলে রাখা যায় তার দিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। এক্ষেত্রে মৃত্যুর পর রিপোর্ট আসার দরকার নেই। কিংবা পরিবারের দেখার জন্য সময় আরও কমানো হতে পারে। শিগগির এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা আসতে পারে বলে খবর।
দিল্লির করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বাইজালের সঙ্গে রবিবার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডক্টর হর্ষ বর্ধন। দিল্লিতে বেডের সমস্যা কী ভাবে দূর করা সম্ভব সেই বিষয়ে আলোচনা হয় তাঁদের।
এই বৈঠকের পরে অমিত শাহ জানিয়েছেন, রাজধানীতে বেডের সমস্যা দূর করার জন্য ৫০০ টি রেলের কামরা দেওয়া হবে। এছাড়া প্রতিদিন টেস্টের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন শাহ।