দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসের আতঙ্ক এবার প্রভাব ফেলল গোয়ার পর্যটনেও। বহু পর্যটক হোটেলের বুকিং বাতিল করেছেন। চিকিৎসকরা জমায়েত না করার পরামর্শ দিচ্ছেন, তাই গোয়ার সৈকত এখন প্রায় জনশূন্য।
বর্তমানে গোয়ায় দু’জনকে এখন কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছেন। তাঁরা নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। সত্যিই তাঁরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে তাঁদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, “চার্টার্ড বিমানে কয়েকজন রুশ পর্যটকের আসার কথা ছিল কিন্তু তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন যে তাঁরা বেড়াতে আসছেন না।”
অল গোয়া ট্র্যাডিশনাল স্যাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ম্যানুয়েল কার্দোসো বলেন, “দেশের অভ্যন্তরের পর্যটকরাও বেড়াতে আসছেন না। সৈকত প্রায় জনশূন্য। এই সময় পর্যটকের সংখ্যা সাধারণত যা হয় এখন সেই সংখ্যা তার অর্ধেক হয়ে গেছে করোনাভাইরাসের আতঙ্কে।”
তিনি জানান যে, সরকার জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। যাঁরা এখানে এসে পড়েছেন তাঁদের অনেকেই আতঙ্কে হোটেলের ঘর ছেড়ে বের হচ্ছেন না।
করোনাভাইরাস রুখতে গোয়ার বিমানবন্দরে আরও বেশি করে মানুষকে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, নজরদারির জন্য কাউন্টারের সংখ্যা দুটি থেকে বাড়িয়ে তিনটি করা হয়েছে। শনিবার ও রবিবার দিনের বেলা ও রাতের বেলা তিনজন করে ডাক্তার ও তিনজন করে প্যারামেডিক্যাল কর্মী ছিলেন গোয়ার বিমানবন্দরে।
ইতিমধ্যেই গোয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সংখ্যালিম হসপিটাল ও মর্মাগাঁওয়ের টিবি হাসপাতালে পৃথক ভাবে আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট দু’জনকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের শরীরের নমুনা পুণের এনআইভিতে পাঠানো হয়েছে।