দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোট মিটতে না মিটেতেই কলকাতায় চলে এসেছিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে এসে বৈঠকও করে যান। বিষয় ছিল, বিজেপি বিরোধী জোট গঠন করা। একই দিনে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব ও বহুজন সমাজ পার্টি প্রধান মায়াবতীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এক উদ্যোগ যিনি নিয়েছেন তিনি নিজেই জনতার রায়ে খালি হাতে ফিরলেন।
নিজের রাজ্যই বাঁচাতে পারলেন না তিনি। বুধবার ২৩ মে নির্বাচনের ফলাফলের দিন কাউন্টিং শুরু হতেই অবস্থা বেগতিক বুঝতে পেরেছিলেন তেলুগু দেশম পার্টির প্রধান। এরপরেই ইস্তফা দেন তিনি।
অন্ধ্রে এ বার লোকসভার সঙ্গে বিধানসভা ভোট হয়েছে। ভোট গণনা শুরু হওয়ার পরে দেখা যায়, দু’টি ভোটেই জয়ী হতে চলেছেন ওয়াইএসআর কংগ্রেসের জগন মোহন রেড্ডি। এক্সিট পোলেও এমনটাই দেখা গিয়েছিল। এ দিন সকাল থেকেই দেখা গিয়েছিল অন্ধ্র বিধানসভার ১৪৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছে ওয়াইএসআর কংগ্রেস। আর চন্দ্রবাবু নায়ডুর টিডিপি এগিয়ে মাত্র ২৫টি আসনে। বেলা গড়াতেই পাল্টে যায় ট্রেন্ড। অন্য দিকে, রাজ্যে লোকসভার ২৫টি আসনের মধ্যে ২৫টিতেই এগিয়ে ছিল ওয়াইএসআর কংগ্রেস। ভোটে পরাজয় নিশ্চিত হতেই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন চন্দ্রবাবু নায়ডু।
অন্ধ্রপ্রদেশের সিংহাসনে অভিষেক হতে চলেছে জগন্মোহন রেড্ডির। আগামী ৩০ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনি।