Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

গালওয়ানের সংঘর্ষের পরেই ভারত-চিন সম্পর্কে বড় ভাঙন ধরেছে: জয়শঙ্কর

দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ লাদাখ সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ভারত ও চিন দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে। আর সম্পর্ক ভাঙার অন্যতম কারণ হিসেবে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের মধ্যে সংঘর্ষের কথা বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্

গালওয়ানের সংঘর্ষের পরেই ভারত-চিন সম্পর্কে বড় ভাঙন ধরেছে: জয়শঙ্কর

শেষ আপডেট: 17 October 2020 03:11

দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ লাদাখ সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ভারত ও চিন দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে। আর সম্পর্ক ভাঙার অন্যতম কারণ হিসেবে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের মধ্যে সংঘর্ষের কথা বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। গত ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় সেনার উপর হঠাৎ চিনা সেনার হামলা থেকেই সম্পর্কে ভাঙনের সূত্রপাত বলেই জানিয়েছেন তিনি। এশিয়া সোসাইটিতে একটি অনলাইন আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি জানান, ৩০ বছর ধরে ভারত ও চিনের মধ্যে একটা ভাল সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। তার প্রভাব সীমান্তেও দেখা যাচ্ছিল। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু সম্প্রতি সেই সম্পর্কে বড় ভাঙন ধরেছে বলেই জানিয়েছেন তিনি। জয়শঙ্কর জানান, ১৯৯৩ সাল থেকে দু’দেশের মধ্যে একাধিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমেই সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছানো গিয়েছিল। ঠিক হয়েছিল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর যত কম সেনা মোতায়েন করা রাখা যায় তত ভাল। সেইমতো কাজও করা হয়েছিল। কিন্তু চিনের আগ্রাসী মনোভাব সেই সম্পর্কে ভাঙন ধরিয়েছে বলেই অভিযোগ বিদেশমন্ত্রীর। আলোচনা সভায় জয়শঙ্কর বলেন, “দু’দেশের মধ্যে নীতি নিয়ে একটা বিস্তারিত আলোচনা ও সেইমতো কাজও হয়েছিল। কিন্তু এখন আমরা দেখছি একটা দেশ সেই চুক্তি ও আলোচনা থেকে ক্রমাগত সরে আসছে। লাদাখ সীমান্তে ক্রমাগত চিনা সেনা মোতায়েন থেকে এটাই পরিষ্কার। আর যখন সীমান্তে দু’দেশের সেনা খুবই কাছাকাছি থাকে তখন ১৫ জুনের মতো কিছু ঘটনা ঘটে যায়। তাতে সম্পর্ক আরও খারাপ হয়ে যায়।” জয়শঙ্কর আরও বলেন, “১৯৭৫ সালের পরে এত বছর পরে সংঘর্ষে জওয়ানরা শহিদ হলেন। তাই এই ঘটনার যে একটা বড় প্রভাব পড়বে সেটাই স্বাভাবিক। এই ঘটনার পরে ভারতও চুপ করে বসে থাকেনি। এই সংঘর্ষের ফলেই দু’দেশের সম্পর্ক বড় ভাঙন ধরেছে।” গত ১৫ জুন গালওয়ানে টহলরত ভারতীয় সেনার উপর আচমকা হামলা করে চিনা সেনা। এই হামলায় ২০ ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন। পাল্টা মারে চিনের প্রায় ৩৫ জওয়ান নিহত হয় বলে খবর। অবশ্য চিনের তরফে এই সংখ্যা জানানো হয়নি। এরপর থেকে দু’দেশের মধ্যে সীমান্ত সম্পর্ক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তারপর থেকে সেনার উচ্চ পর্যায়ের ও কূটনৈতিক স্তরে প্রচুর বৈঠক হয়েছে। দু’দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরাও বৈঠকে বসেছেন। কিন্তু কোনও সমধান সূত্রে বের হয়নি। তারমধ্যেই সীমান্তে উত্তাপ ক্রমাগত বাড়ছে। একদিকে যেমন সেনা বাড়াচ্ছে লাল ফৌজ, অন্যদিকে তেমনই সেনা বাড়াচ্ছে ভারতও। শীতেও যাতে সীমান্তে সেনা থাকে তার বন্দোবস্ত করেছে ভারত। নিয়ে যাওয়া হয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র। এর থেকেই পরিষ্কার চিনের আগ্রাসনের জবাবে চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারত। তাই দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক যে এই মুহূর্তে প্রায় ভেঙেই গিয়েছে সেটাই আরও একবার তুলে ধরলেন জয়শঙ্কর।

```