দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের চতুর্থ দফায় কেন্দ্রীয় সরকার যে গাইডলাইন দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে আপাতত ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে চালু হবে সরকারি অফিস। সোমবার ওই নির্দেশিকার পর মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, এ থেকে বাদ রাখা হচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা ও প্রতিবন্ধী কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের। এখনই তাঁদের কাজে যোগ দিতে হবে না।
কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, অন্তঃসত্ত্বা ও শারীরিক ভাবে অক্ষম কর্মীদের বাদ রেখেই রোস্টার তৈরি করতে হবে। তার ৫০ শতাংশ নিয়ে কাজ হবে দফতরে।
১৭ মে তৃতীয় দফার লকডাউনের মেয়াদ ফুরোনোর দিন বিকেলেই চতুর্থ দফার লকডাউন ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাতে বলা হয়েছে আপাতত ৩১ মে পর্যন্ত চলবে লকডাউন। তবে এই দফায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত দফতরে ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু হবে।
লকডাউনের প্রথম পর্ব থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিক পদমর্যাদার কর্মচারীদের বাড়ি থেকেই কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিল সরকার। ২০ এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে কিছু কিছু অফিসে হাতে গোনা কর্মী নিয়ে কাজ চালু হয়। সেটাই চলছিল এতদিন। এবার নতুন নির্দেশিকায় ৫০ শতাংশ কর্মীদের বিষয়টি উল্লেখ করেছে কেন্দ্র।
এমনিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে শিশু, বৃদ্ধদের পাশাপাশি অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদেরও প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। অনেকের মতে সেই কারণেই সংশোধিত নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র।
করোনা নিয়ে সর্বশেষ জাতির উদ্দেশে বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট করেই বলেছেন, সতর্কতা মেনে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। থেমে গেলে হবে না। তাঁর কথায়, "করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রেখেই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।" বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক যে বুলেটিন দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬১১ জন কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। মোট আক্রান্ত লাখ পেরিয়ে গিয়েছে। ফলে সংক্রমণ যে থামছে না তা পরিষ্কার। কিন্তু এর মধ্যেই সতর্কতা মেনে কাজ চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।