দ্য ওয়াল ব্যুরো: মনে পড়ে করোনা পর্বের শুরুর কথা?
দিল্লির নিজামুদ্দিন এলাকায় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া একের পর এক তবলিঘি জামাত সদস্যদের মধ্যে সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময়ে কেন্দ্রের তরফে প্রেস কনফারেন্স করে বলা হয়, বিদেশি তবলিঘি সদস্যদের জন্যই ভারতে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে দ্রুত হারে। যা ১০ দিনে হওয়ার কথা তা চার দিনে হচ্ছে। সেই সরকমই মামলা দায়ের হয়েছিল বম্বে হাইকোর্টের ঔরঙ্গাবাদ বেঞ্চে। ভিসা আইন, মহামারী আইন, বিপর্যয় মোকাবিলা আইন লঙ্ঘনের এফআইআর দায়ের হয়েছিল ২৯ জনের বিরুদ্ধে। সেই মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত।
বিচারপতি টিভি তালাওয়াড়ে এবং বিচারপতি এম জি সেউলিকরের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার শুনানিতে মন্তব্য করেছে, “যখন কোনও বড় বিপর্যয় ঘটে বা মহামারি আসে তখন সরকার নিজের দায় এড়াতে বলির পাঁঠা খোঁজে। করোনার পর্বেও তবলিঘি জামাত সদস্যদের বলির পাঁঠা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।”
শুধু তাই নয়, মহারাষ্ট্র পুলিশ সম্পর্কে আদালত বলেছে, সরকার রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে এই অভিযোগ করেছে। পুলিশও সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেনি। সেই সুরে সুর মিলিয়েছে। ওই জামাত সদস্যদের দাবি ছিল, ভারত সরকারের দেওয়া বৈধ ভিসাতেই তাঁরা এদেশের সংস্কৃতি এবং আতিথেয়তা উপভোগ করতে এসেছিলেন। আর বিমানবন্দরে তাঁদের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পরই বাইরে বেরনোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এমনকী লকডাউনের সময় তাঁরা কখন কোথায় ছিলেন, সেই সব তথ্য জেলাশাসকদের দিয়েছেন। আবেদনকারীদের এই যুক্তি মেনে নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ করে দেয় বম্বে হাই কোর্টের এই ডিভিশন বেঞ্চ।