সৈকতের 'স্পন্দন' বেঁচে থাকবে রাখালের 'হৃদয়ে'
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শহরের বেসরকারি হাসপাতালে হৃদযন্ত্র, কিডনি, লিভার প্রতিস্থাপনের ঘটনা আগে ঘটেছে। তবে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে কিডনি, লিভার প্রতিস্থাপন হলেও এই প্রথম হতে চলেছে হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন। এসএসকেএম থেকে গ্রিন করিডরে করে হৃদযন্ত্র নি
শেষ আপডেট: 17 November 2018 08:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শহরের বেসরকারি হাসপাতালে হৃদযন্ত্র, কিডনি, লিভার প্রতিস্থাপনের ঘটনা আগে ঘটেছে। তবে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে কিডনি, লিভার প্রতিস্থাপন হলেও এই প্রথম হতে চলেছে হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন। এসএসকেএম থেকে গ্রিন করিডরে করে হৃদযন্ত্র নিয়ে এসে প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে মেডিক্যাল কলেজে।
শুক্রবার বিকেলে পূজালির বাসিন্দা সৈকত লাট্টুর ব্রেন ডেথ ঘোষণা করেন এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। সৈকতের পরিবারের কাছে অঙ্গদান করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রাথমিক সংশয় থাকলেও পরে ছেলের অঙ্গদানের প্রস্তাবে রাজি হন বাবা স্বদেশ লাট্টু। সৈকতের শরীরের কিডনি, লিভার, হৃদযন্ত্র, কর্নিয়া সহ মোট ৬ টি অঙ্গ দান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
খোঁজ শুরু হয় অঙ্গ গ্রহীতার। রিজিওনাল অরগ্যান অ্যান্ড টিস্যু ট্রান্সপ্লান্ট অরগানাইজেশনের পক্ষ থেকে খবর পাওয়া যায়, মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন বছর ৩৮-এর রাখাল দাসের হৃদযন্ত্রে গুরুতর সমস্যা রয়েছে। রাণীগঞ্জের বাসিন্দা রাখালের শরীরেই সৈকতের হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকেরা। সেইমতো শনিবার সকালে গ্রিন করিডরের মাধ্যমে এসএসকেএম থেকে মাত্র ৬ মিনিটে সৈকতের হৃদযন্ত্র নিয়ে আসা হয় মেডিক্যাল কলেজে। ১০.২৪ মিনিটে হৃদযন্ত্র নিয়ে রওনা দেন চিকিৎসকরা। ১০.৩০ মিনিটে এসে পৌঁছান মেডিক্যাল কলেজে।

কয়েকদিন আগেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের ছাড়পত্র পেয়েছে। মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে খবর, এই হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের জন্য ১২ জন চিকিৎসকের একটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। অস্ত্রোপচারের জন্য প্রায় ৬ ঘণ্টা সময় লাগবে বলে জানা গেছে। সৈকতের কিডনি এসএসকেএমেই দুজনের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হবে বলে খবর। কর্নিয়া পাঠানো হচ্ছে শঙ্কর নেত্রালয়ে।