
শেষ আপডেট: 12 November 2018 16:21
ফলে দিনদিন এলাকায় ময়লার পরিমাণ বাড়ে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন ধরণের রোগের প্রাদুর্ভাবও বাড়ছে। অনেক বলেও এই অভ্যাস থামানো যায়নি। আর তাই পাটুলির কিছু বাসিন্দা বুদ্ধি করে বের করেছেন এক উপায়। রীতিমতো অর্ডার দিয়ে বানানো হয়েছে মেছো পেত্নী, শাকচুন্নি, ব্রহ্মদত্যিদের। তারপর তাদের রাস্তার ধারে একটু দূরে দূরে সারি দিয়ে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে রাতের অন্ধকারে কেউ ময়লা ফেলতে এলে দেখে ভিরমি খায়। তাদের গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বোর্ড। কোনওটাই লেখা, 'আমি পেত্নী। সাবধান। যে ময়লা ফেলবে তার বাড়িতে গিয়ে থাকব।' আবার কোনও বোর্ডে লেখা, 'আমি মেছো ভুত। সাবধান। মাছ খেয়ে নোংরা ফেললেই ধরব।'
কাজও হয়েছে কিছুটা। ময়লা ফেলার পরিমাণ অনেকটাই কমে গিয়েছে। আর এলাকাবাসীদের এই বুদ্ধির তারিফ করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকেও। এই সব মূর্তির পাশে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে ময়লা ফেলার অপকারিতা ও শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার উপকারিতা লেখা 'গ্রিন সিটি প্রোজেক্ট'এর ফ্লেক্স টাঙানো হয়েছে। যাতে এলাকাবাসী নিজেদের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হন, তার জন্যই পুলিশের তরফে এই উদ্যোগ।
এমনিতেই কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে গোটা শহর জুরে 'ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি' লেখা সাইন বোর্ড, ফ্লেক্স প্রভৃতি লাগানো থাকে। কাজও হয়েছে। শহরের বেশ কিছু জায়গায় ময়লা অনেক কমেছে। সরকার থেকে আবর্জনা ফেলার জন্য ভ্যাট-এর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তারপরেও এখনও কিছু এলাকায় বাসিন্দাদের টনক নড়েনি।
তবে তাঁদের জন্য তো পাটুলিবাসী সমাধান বের করেই দিয়েছেন। রাস্তায় ময়লা ফেললে বসিয়ে দিন শাকচুন্নি, মেছো পেত্নীদের। ব্যাস, ময়লা ফেলা বন্ধ।