Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

পাটুলিতে মা-ছেলের রহস্যমৃত্যু, বন্ধ বাড়ি থেকে উদ্ধার দেহ, তদন্তে পুলিশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: খাস কলকাতায় বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার মা ও ছেলের দেহ। পাটুলিতে মা-ছেলের রহস্যমৃত্যুতে ধন্দে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে অবশ্য পুলিশের ধারণা আর্থিক অনটনের কারণে আত্মহত্যা করেছেন তাঁরা। এই ঘটনাটি ঘটেছে পাটুলি থানা এলাকার কানুনগো পার্কে।

পাটুলিতে মা-ছেলের রহস্যমৃত্যু, বন্ধ বাড়ি থেকে উদ্ধার দেহ, তদন্তে পুলিশ

শেষ আপডেট: 16 October 2020 07:55

দ্য ওয়াল ব্যুরো: খাস কলকাতায় বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার মা ও ছেলের দেহ। পাটুলিতে মা-ছেলের রহস্যমৃত্যুতে ধন্দে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে অবশ্য পুলিশের ধারণা আর্থিক অনটনের কারণে আত্মহত্যা করেছেন তাঁরা। এই ঘটনাটি ঘটেছে পাটুলি থানা এলাকার কানুনগো পার্কে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদের নাম মঞ্জুশ্রী মিত্র এবং শুভময় মিত্র। কানুনগো পার্কের বহু পুরনো বাসিন্দা ছিল মিত্র পরিবার। বাবা স্নেহময়ের মৃত্যুর পর মা-ছেলে থাকতেন বাড়িতে। প্রসঙ্গত, গতকাল কানুনগো পার্ক এলাকার বাকি বাসিন্দারা পুলিশে খবর দিয়ে জানান যে মিত্র বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। দরজা ভেঙে বাড়ির ভিতর গিয়ে পুলিশ দেখে মেঝেতে পড়ে রয়েছে মঞ্জুশ্রী দেবীর নিথর দেহ। পচাগলা দেহ দেখে পুলিশ অনুমান করে যে কয়েকদিন আগে (অন্তত ৩ থেকে ৪ দিন আগে) মৃত্যু হয়েছে মঞ্জুশ্রীদেবীর। তাঁর দেহে কোনও চোট-আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মঞ্জুশ্রীদেবীর দেহ যে ঘরে পড়েছিল তার পাশের ঘর থেকেই উদ্ধার হয় ছেলে শুভময়ের ঝুলন্ত দেহ। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বেশ কয়েকদিন ধরে মঞ্জুশ্রীদেবী বা শুভময়ের কাউকেই বাইরে বেরোতে দেখা যায়নি। মঞ্জুশ্রীদেবী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন বলেও জানিয়েছে স্থানীয়রা। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, লেক মার্কেটে স্নেহময়বাবুর ভাড়ায় একটি বইয়ের দোকান ছিল। বাবার মৃত্যুর পর দোকানের দেখভাল করতেন শুভময়। কিন্তু লকডাউনে দোকান দখল হয়ে যায়। এরপর থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন মা ও ছেলে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, লকডাউনে দোকান বেদখল হওয়া, আর্থিক অভাব, মানসিক অবসাদ----সম্ভবত এইসব কারণেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন মঞ্জুশ্রীদেবী এবং শুভময়। তবে প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, দোকান হারানোর পর শুভময়বাবু কিছুদিন কলকাতা পুরসভার চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক হিসাবেও কাজ করেছিলেন। দুটি দেহই ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক সময় ও কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মতর পরিবারের অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। পুলিশের অনুমান, বার্ধ্যজনিত অসুস্থতার কারণে হয়তো স্বাভাবিক ভাবেই মৃত্যু হয়েছে মঞ্জুশ্রীদেবীর। আর আত্মহত্যা করেছেন শুভময়বাবু। তবে অতীতে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে মানসিক অবসাদগ্রস্ত ব্যক্তিরা তাঁদের প্রিয়জনকে মেরে ফেলে নিজেরাও আত্মহত্যা করেন। এক্ষেত্রেও সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে তবেই পুরো ব্যাপারটা খোলসা হবে।

```