
শেষ আপডেট: 16 October 2018 03:48
এই ইমেলটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে। 'দ্য ইডাহো স্টেটসম্যান' পত্রিকা লিখেছে, ব্লেক ফিশারের ওপর সারা বিশ্ব থেকে পদত্যাগের চাপ আসছে। এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর দ্য ইডাহো স্টেট জার্নাল ফিশারের ইমেল ফাঁস করে। সেখানে ফিশার বন্ধুদের লিখছেন, "আমি এবং আমার স্ত্রী এক সপ্তাহের জন্য নামিবিয়া গিয়েছিলাম । স্ত্রী আফ্রিকাকে অনুভব করতে চেয়েছিল কাছ থেকে। তাই আমি ওর জন্য একটা পুরো বেবুন পরিবার গুলি করে মেরে দিই। আমার স্ত্রী মনে হয় দ্রুতই আফ্রিকাকে চিনে নিয়েছে।“
যদি ই-মেলে পাঠানো ছবি গুলি সত্যি হয়, ফিশার এবং তাঁর স্ত্রী, মাত্র এক সপ্তাহে ১৪টি পশু মেরেছেন। এই পশুগুলির মধ্যে আছে জিরাফ, চিতা, ইম্পালা, অ্যান্টিলোপ, ওয়াটার বাক, বুনো শুয়োর, কুডু, জেমসবক, ইল্যাণ্ড। নামিবিয়াতে নেমেই ফিশার একটি তালিকা আদায় করেন। যে তালিকায় বিভিন্ন পশুর নাম আছে, যে গুলি তিনি শিকার করতে পারবেন। কিছু পশু হত্যা করার জন্য ট্রফি ফি দিতে হয় নামিবিয়া সরকারকে। কিন্তু কিছু পশু বিনি পয়সায় হত্যা করা যায়। ফিশার দ্য ইডাহো স্টেটসম্যানকে জানিয়েছেন, বেবুন ছিলো ফ্রি-এর তালিকায়। বুক ফুলিয়ে বলেছেন, "ফ্রি ছিলো মেরে দিয়েছি। অতি কুৎসিত জীব। আর এগুলো বানর, হরিণ নয় যে এতো চিন্তা করতে হবে। "
ফিশারের আগে যিনি কমিশনার ছিলেন তিনি ফিশারের ইমেলের প্রত্যুত্তরে লিখেছেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কমিশনের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে ফিশারের পদত্যাগ করা উচিত। তিনি বলেছেন, "আমি জানি তুমি যেটা করেছো সেটা নামিবিয়ায় আইনসিদ্ধ। কিন্তু আইনসিদ্ধ হলেও তোমার কাজকে সঠিক বলতে পারলাম না।"
সারা বিশ্ব ফিশারের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে ফিশার জানিয়েছেন , তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইমেল মারফত মৃত পশুদের ছবিগুলি পাঠানোর জন্য। কিন্তু তিনি ১৪ টি বন্যপ্রাণ হত্যার জন্য বিন্দুমাত্র দুঃখিত নন।