
শেষ আপডেট: 24 January 2019 15:28
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের সমীক্ষা থেকে যদি প্রকৃতপক্ষে মানুষের মুড বোঝা যায়, তা হলে পরিষ্কার যে ২০১৯ সালে কোনও ভাবেই সরকার গড়তে পারবেন না নরেন্দ্র মোদী। দুটি সমীক্ষাতেই ইউপিএ বলতে, কংগ্রেস, এনসিপি, আরজেডি, ডিএমকে এবং জনতা দল সেকুলারের জোট বোঝানো হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, এই ইউপিএ-র বাইরে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে একটা বড় ব্লক হল, অখিলেশ, মায়াবতী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরীওয়ালদের জোট। তাঁরা যদি কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলান তা হলে বিরোধী জোটের সরকার নিশ্চিত। দুটি সমীক্ষার মতে, উত্তরপ্রদেশে অখিলেশ-মায়াবতীর জোট বিজেপি-র চমককে ফিকে করে দেবে। ফলে ইউপিএ-র ১৬৭টি আসনের সঙ্গে সপা-বসপা ও তৃণমূলের প্রাপ্ত আসন ও আরও কিছু আঞ্চলিক দলের আসন যোগ করলেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে।
শুধু তাই নয়, ইন্ডিয়া টুডের সমীক্ষার মতে, এনডিএ-তে যদি এর পরেও নবীন পট্টনায়েক, এআইডিএমকে, চন্দ্রশেখর রাওয়ের তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি এবং জগন্মোহন রেড্ডির আসনও যোগ করা হয়, তা হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি নাও পৌঁছতে পারে তারা।
চুম্বকে একটা ইঙ্গিত পরিষ্কার। এ বার স্পষ্ট জনাদেশ নাও মিলতে পারে ভোটে। ফের ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতির সম্ভাবনা। এবং ভারতের ভাগ্যাকাশে ঘনাতে পারে মিলিজুলি সরকার। যা দেশের অর্থনীতির পক্ষে মঙ্গলদায়ক নয় বলে একদা মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। কারণ, তাঁর মতে যেই জিতুক, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে দেশে স্থায়ী সরকার গঠন সম্ভব। সেই স্থায়িত্ব উন্নয়নের কাজকে ত্বরান্বিত করে।