দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধু ধু প্রান্তর। আশেপাশে গাছপালার সংখ্যাও বেশ কম। তার মাঝেই দাঁড়িয়ে রয়েছে সাদা রংয়ের সুদৃশ্য একটা এসইউভি। বনেটের উপর দিল্লি পুলিশের লোগো লাগানো। গাড়ির ছাদে লাগানো ইমার্জেন্সি হুটারও। আর এমনই এক গাড়ির ছাদে চড়ে কি না শারীরিক কসরত দেখাচ্ছেন এক যুবক। সঙ্গে রয়েছে নানারকম খতরনাক স্টান্টও। যে কোনও মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড়সড় অঘটন। কিন্তু ভ্রুক্ষেপ নেই ওই যুবকের। আপনমনে স্টান্ট দেখাতেই ব্যস্ত তিনি।
যুবকের পরনে রয়েছে কেবল একটা জিন্সের প্যান্ট। আর মাথায় একটা টুপি। গায়ে নেই শার্ট। শোভা পাচ্ছে বেশ পেটানো চেহারা। দেখেই আন্দাজ করা যায় শরীরের প্রতিবেশ যত্নবান এই যুবক। শারীরিক কসরতের অভ্যাস আছে বলেও আন্দাজ। রোজের মতোই বোধহয় নিজের শরীর চর্চায় মেতেছিলেন ওই যুবক। কিন্তু তা বলে পুলিশের গাড়ির ছাদে!
বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এমনই এক ভিডিও। সৌজন্যে ট্রেন্ডিং ভিডিও অ্যাপ 'টিকটক'। তবে ওই যুবকের নাম-পরিচিতি এখনও জানা যায়নি। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গাড়িটি কিছুদিন আগে একজন প্রাইভেট কন্ট্রাক্টরের থেকে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। খতরনাক স্টান্ট দেখানো ওই যুবক সম্ভবত গাড়ি যিনি চালাচ্ছিলেন সেই চালকের বন্ধু। পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবক কোনওভাবেই দিল্লি পুলিশের সঙ্গে যুক্ত নন।
ইতিমধ্যেই ওই গাড়ি ভাড়া দেওয়া বেসরকারি কন্ট্রাক্টরকে শো-কজ নোটিস পাঠিয়েছে পুলিশ। আইন লঙ্ঘন করার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে তারা। পাশাপাশি পুলিশের দাবি, এই ভিডিও বেশ কিছুদিন আগেকার। এখনকার ঘটনা নয়। মানে দিল্লি পুলিশ এই গাড়ি ভাড়া নেওয়ার পর এই ঘটনা ঘটেনি বলেই দাবি করেছেন দিল্লি পুলিশের এক সিনিয়র অফিসার। এ ছাড়াও পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভবত টিকটক অ্যাপে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতেই এমন দুঃসাহসিক কাজ করেছেন ওই যুবক। ইতিমধ্যেই ওই যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।